Smartphone Buying Guide: biggest mistakes to avoid when buying a smartphone

63


Smartphone Buying Guide: স্মার্টফোন কেনার সময় ফোনের ক্যামেরার মান দেখা উচিত না কি ফোনের অপারেটিং সিস্টেম দেখা উচিত- এটাই বুঝে উঠতে পারেন না অনেকে। এবার এখান থেকেই আসে ভুল সিদ্ধান্ত। কিন্তু স্মার্টফোন কেনার পরে ভুল সিদ্ধান্ত মনে হলেই তো আর তা বদলে ফেলা যায় না। তাই আলোচনা করে নেওয়া যাক, স্মার্টফোন কেনার সময় গ্রাহকরা যে ভুলগুলি করে থাকেন, সেগুলির বিষয়ে। ফলে এই ভুলগুলি থেকে সতর্ক থাকতে পারবেন গ্রাহকেরা।

অ্যান্ড্রয়েড না আইফোন:

ফোন কেনার আগে মাথায় একটা ভাবনা চলতে থাকে– অ্যান্ড্রয়েড (Android phone) কিনব না আইফোন (iPhone)। দু’ক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্য ভিন্নধর্মী। আইফোনের মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর গোপনীয়তা এবং সহজ-সরল বিষয়। আর সেখানে অ্যান্ড্রয়েড-এর মূল আকর্ষণ হচ্ছে বিকল্প এবং নিয়ন্ত্রণ। দেখা যায়, অনেকেই বেশ ভালো পরিমাণ টাকা খরচ করে ওয়ানপ্লাস অথবা অন্য কোনও সংস্থার অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনছেন। অথচ ওই টাকায় তিনি দিব্যি আইফোনও পেয়ে যেতে পারেন। তাহলে অ্যান্ড্রয়েড ফোন তাঁরা বেছে নিচ্ছেন কেন? এই প্রসঙ্গে ওই গ্রাহকদের জবাব, তাঁরা অ্যাপলের ইকোসিস্টেমের মধ্যে থাকতে চান না। আর এর জন্যই তাঁরা অ্যান্ড্রয়েডে স্বচ্ছন্দ। আসলে অ্যান্ড্রয়েড ফোন এক জন গ্রাহককে স্বাচ্ছন্দ্য দেওয়ার পাশাপাশি আরও নানা বিকল্প দেয়, যেটা আইফোন বা অ্যাপল (Apple) সংস্থা গ্রাহককে দেবে না।

আরও পড়ুন – অপেক্ষার অবসান, Whatsapp আপডেটে এ বার বড় ফাইল শেয়ারিংয়ের সুযোগ

প্রয়োজন:

স্মার্টফোন কেনার আগে নিজের প্রয়োজনের কথা সবার আগে ভাবতে হবে। বিষয়টা কীরকম? স্মার্টফোনে কী কী বৈশিষ্ট্য বা ফিচার দরকার, সেই বিষয়টা আগে স্পষ্ট ভাবে ভেবে নিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, কারও নিজের ইউটিউব (YouTube) চ্যানেল রয়েছে। এর জন্য প্রথমেই যেটা প্রয়োজন, সেটা হচ্ছে ভালো মানের একটি ক্যামেরা। যার মাধ্যমে ভালো ফটোশ্যুট করা যায় এবং লাইভ স্ট্রিমিংও দারুণ ভাবে করা যায়। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ফোন এমন হতে হবে, যেটা এক জন গ্রাহক নিজের কাজের জন্যও ব্যবহার করতে পারেন। আবার ধরা যাক, মা-বাবার জন্য ফোন কেনা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp), ইউটিউবের মতো প্রাথমিক সুবিধা রয়েছে, এমন ফোনই কেনা উচিত।

অভিজ্ঞতা:

ফোনের মান কীরকম, সেটা দেখেই টাকা খরচ করতে হবে। ভুল ফোনের পিছনে টাকা খরচ করা ঠিক নয়। অনেককেই দেখা যায়, ৪০-৪৫ হাজার টাকা দিয়ে ফোন কিনে আফসোস করছেন। আসলে অনেকেই অভিযোগ করেন প্রচুর দামি ফোনও বার বার হ্যাং করে যায়। আবার ২০ হাজার টাকার ফোন ব্যবহার করেও অনেকের দারুণ অভিজ্ঞতা হয়। ফলে হাই-এন্ডের ফোন সবার মনে সন্তুষ্টি আনবে, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। তাই প্রয়োজনের পাশাপাশি এই দিকটাও বিবেচনা করা জরুরি।

আরও পড়ুন – Google বন্ধ করে দিচ্ছে কল রেকর্ডিং অ্যাপ! জানুন এবার কী করবেন

সময়:

সারা বছর ধরে নিত্য-নতুন স্মার্টফোন বাজারে আনা হয়। ফলে কোন ফোন কখন কেনা উচিত, সেই নিয়ে মনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, অ্যাপল সাধারণত সেপ্টেম্বরে আইফোন লঞ্চ করে। ফলে জুলাই থেকে অগস্টের মধ্যে আইফোন কেনাটা বোকামি। কারণ আর কয়েক দিনে যেহেতু নতুন মডেল এসে যাচ্ছে, তাই পুরনো মডেলগুলোর দামও কমে যাবে। আবার অন্যান্য ক্ষেত্রে বছরের শেষে কিংবা ছুটিছাটার সময় ফোনের উপর বিশেষ ছাড় থাকে। ফলে এই সময়গুলোও ফোন কেনার জন্য খুবই ভালো।

টেকসই:

নতুন স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে সফটওয়্যার আপডেটের বিষয়টাও। ৪-৫ বছর ধরে একটা ফোন ব্যবহার করতে চাইলে এমন ফোন কিনতে হবে, যেটা ওএস লেভেল (OS-level) আপডেট দিতে সক্ষম। অ্যান্ড্রয়েডের সফটওয়্যার আপডেটের দিকটা খুব একটা ভালো নয়। সম্প্রতি গ্যালাক্সি সিরিজের স্মার্টফোনে চার বছরের সিকিউরিটি আপডেট দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে স্যামসাং (Samsung)। এতে ফোন আরও টেকসই হবে। আবার অন্য দিকে, আপডেট প্ল্যানের ক্ষেত্রে অ্যাপল খুবই ভালো।

Published by:Ananya Chakraborty

First published:

Tags: Andriod, IPhone, Smartphone



Source link