৩০ সেপ্টেম্বরের উপনির্বাচনে লড়বেন মমতা

64


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুরে ৩০ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের অনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ওই আসন থেকে লড়বেন।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন বলেছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভার মোট ৩১ আসন বর্তমানে বিধায়কশূণ্য। এরমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের চার আসনে কোনো বিধায়ক নেই। এই আসনগুলো হলো ভবানীপুর, সামশেরগঞ্জ, জঙ্গিপুর, খড়দহ ও গোসাবা।

এর আগে, সব নির্বাচনে ভবানীপুর আসন থেকে মমতা ব্যানার্জিই নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে থাকেন। তবে চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির চিত্র অন্যান্য বারের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন হওয়ায় সর্বশেষ নির্বাচনে নিজ আসন ভবানীপুরের পরিবর্তে নন্দীগ্রাম থেকে নির্বাচনে দাঁড়ান তৃণমূল সভানেত্রী। যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামকে ঘিরে নির্বাচনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে এবং তাতে প্রায় ২০০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন শুভেন্দু।

এদিকে, ভবানীপুরে মমতার আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বর্তমান কৃষিমন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ভবানীপুর থেকে জয়ীও হন তিনি। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ মে ভবানীপুরের বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে ২১৩ আসনে জয়ী হয় তৃণমূল। তাই, নিজে জয়ী হতে না পারলেও সংবিধান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের আসীন হন মমতা ব্যানার্জি।

ভারতের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, নিজের মুখ্যমন্ত্রীত্বের পদ স্থায়ী করতে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৬ মাসের মধ্যে রাজ্যের যে কোনো আসন থেকে জয়ী হওয়া প্রয়োজন ছিল তার এবং এ প্রসঙ্গে তিনি আগে জানিয়েছিলেন উপনির্বাচনে নিজ আসন ভবানীপুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান তিনি।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে এই উপনির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে ৬ অক্টোবর।

সারাবাংলা/একেএম





Source link