৩০০ টাকা থেকে লাখপতি

128


হাত খরচের টাকা থেকে ৩০০ টাকা জমিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার যাত্রা শুরু করে লাখপতি ।বলছিলাম নরসিংদী জেলা শহরের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার ঊষার কথারক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে ঊষা পরিবার থেকে শুরু তে কোনো রকম সাপোর্ট পান নি।কিন্তু উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে হাটা শুরু করেন কঠিন এক রাস্তা ধরে।

৩০০ টাকা থেকে থেকেই অল্প অল্প করে বিক্রি করে করে আজ তিনি কয়েক লাখ টাকার পণ্য সামগ্রী বিক্রি করে ফেলেছেন।

২০১৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু করেছেন ঊষাএই যাত্রা শুরুর পথ টা যেমন মসৃণ ছিল না, তেমন আজকে এই অব্দি এসেও প্রতিকূলতার শেষ নেই।তবু দুর্দান্ত গতি এবং প্রচণ্ড মনোবল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তার ছোট স্বপ্ন কে বড় জায়গার দাড় প্রান্তে নিয়ে যেতে।

৩০০ টাকা থেকে লাখপতি

৩০০ টাকা থেকে লাখপতি

ঊষা বলেন, ” এই কয় বছরে অনেক মানুষের ভালোবাসা, দোয়া আর সাপোর্ট যেমন পেয়েছি তেমনই অনেক অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার সম্মুখীনও হতে হয়েছে। আর যেহেতু আমার পরিবার অনেকটা কনজার্ভেটিভ, তাই এখনো পরিবার থেকে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য শতভাগ সাপোর্ট পাচ্ছি না।  এখনো আমার বাবাকে লুকিয়ে অনেক কাজ করতে হয়। তবে আমার মা এর সাপোর্ট না পেলে এতদূর আসা সম্ভব হতো না কখনো৷ 

৩০০ টাকা থেকে লাখপতি

৩০০ টাকা থেকে লাখপতি

সব কিছুতেই খারাপ অভিজ্ঞতা যেমন থাকে তেমনই ভালো অভিজ্ঞতাও থাকে। আমার এ কয় বছরের অভিজ্ঞতায় খারাপ এর চেয়ে ভালোটাই বেশি। অনেক মানুষের সাথে পরিচয়,  তাদের সাথে কথা বলা, তাদের মেন্টালিটি বুঝা এসব কিছু আমার নিজের ব্যাক্তিজীবনে অনেক পজিটিভ প্রভাব ফেলেছে। 

আমার উদ্যোক্তা জীবনের সফলতা শুধু মাত্র আমার প্রোডাক্ট সেল হওয়া সেটাকেই আমি গুরুত্ব দিই না। আমার কাছে সফলতা মানে হাজার টা মানুষের কাছে পৌঁছানো, হাজারটা মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, বিশ্বাস অর্জন। আমাকে দেখে আরো ৫ টা মেয়ে নিজেদেরকে উদোক্তা হিসেবে তৈরি করার আগ্রহ প্রকাশ করা, চেষ্টা করা তারাও কিছু করার। আর আমি এ সবগুলো সফলতাই পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ ।

আমার নরসিংদীতে এমন বেশ কয়জন উদ্যোক্তা আছেন যারা আমাকে বলেছেন আপু আপনাকে দেখে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। কথাটা ছোট হলেও আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি এটা। আর আমি মনে করি এগুলোই আমার এ কয় বছরের এচিভমেন্ট।”

ঊষার এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন,”আমার এ ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিয়ে অনেক স্বপ্ন আছে। তবে সব কিছুর জন্যই সুযোগ লাগে, সময় লাগে। আর আমার সেই সুযোগ বা সময় কোনোটাই এখনো হয় নি বলে আমি মনে করি,  তাই আমি এখনো অনেকের চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে। তবে ভালো কিছুর আশায় আছি। নিশ্চয়ই খুব তাড়াতাড়ি সেই সুযোগ আসবে বলে মনে করি৷ 

ভবিষ্যতে দেশীয় + বিদেশি সব রকম পণ্য নিয়েই কাজ করার ইচ্ছে আছে৷ দেশীয় পণ্যের মধ্যে পোশাক নিয়ে ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চাই যেনো মানুষ বিদেশি পোশাক এর চেয়ে দেশীয় পোশাকের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখায়। বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।”

To read mode blogs click here 

Kulsum Akter

District coordinator

YSSE



Source link