২ মার্চ ‘পতাকা উত্তোলন দিবস’ জাতির অহংকার : মোস্তফা

0
344

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব ও জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের আহ্বায়ক এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, পতাকা হচ্ছে একটি জাতি রাষ্ট্রের মুক্তি এবং সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই পতাকা অর্জনের জন্যই যুগে যুগে আন্দোলন-সংগ্রাম, সশস্ত্র যুদ্ধ, আত্মদান সংঘটিত হয়েছে। পতাকা মুক্তি ও স্বাধীনতার সর্বোচ্চ অহংকার। আর ২ মার্চ স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস হচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ও বাঙ্গালি জাতির অহংকার।

সোমবার (২ মার্চ ) নয়াপল্টনের সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ২ মার্চ স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২ মার্চ প্রত্যেক বাঙালি জাতির জীবনে ঐতিহাসিক দিন। এ দিন বাঙালি জাতি তার কাঙ্খিত স্বপ্নের পতাকা উড়তে দেখছিল। স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের নির্দেশে ১ মার্চ স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এ সময় সিদ্ধান্ত হয় ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র-গণসমাবেশ অনুষ্ঠানের আর এই ছাত্র গণসমাবেশে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে নিউক্লিয়াস। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে স্বাধীনতা উন্মুখ বাঙালি জাতির পক্ষে আ স ম আবদুর রব স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় লাখ লাখ ছাত্র-জনতার সম্মুখে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আবদুর রব স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করে বাঙালির স্বাধীন আবাসভূমি অর্থাৎ বাংলাদেশ নামক নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় অনিবার্য করে তোলেন। জাতীয় পতাকা হচ্ছে সার্বভৌমত্বের প্রতীক। ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন ছিল উপনিবেশিক পাকিস্তান রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক মৃত্যুপরোয়ানা।

তিনি দলীয় দৃষ্টিকোনের উর্দ্ধে উঠে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকারকে ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবস ও পতাকা উত্তোলক আ স ম রবকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের দাবী জানিয়ে বলেন, ইতিহাসের ধারাবাহিকতার স্বার্থেই যার যত টুকু অবদান তার স্বীকৃতি দেয়া উচিত। অন্যথায় ইতিহাস পূর্ণতা পাবে না। আর এর দায় ভার কখনো শাসকগোষ্টি এড়াতে পারবে না।

সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ও এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন সমন্বয়ক মো. মহসিন ভুইয়া, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, কৃষক নেতা তাইজুদ্দিন আহমেদ, নারী নেত্রী ডা. আছমা আক্তার মৌসুমী, মতিয়ারা চৌধুরী, শ্রমিক নেতা আবদুল্লাহ আল কাউছারী প্রমুখ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে