১৫ আগস্ট দলের নেতা ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন শেখ হাসিনার

90


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে সেনাবাহিনীর পাশাপাাশি আওয়ামী লীগ নেতাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আমাদের বাসায় যখন গুলি শুরু হয়, বঙ্গবন্ধু কিন্তু সবাইকে ফোন করেছিলেন। আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে কথা হয়, তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে কথা হয়, সেনাপ্রধান শফিউল্লাহর সঙ্গে কথা হয়। সেনাবাহিনীরও যার যা ভূমিকা ছিল তারাও কিন্তু সঠিকভাবে তা পালন করেনি— এর পিছনে রহস্যটা কী? সেটাই কথা।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) সকালে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ (উত্তর) এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ (দক্ষিণ) কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয় প্রান্তে যুক্ত ছিলেন।

শোক দিবসের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, সেইদিন বাংলাদেশে এরকম একটি ঘটনার পর আমাদের দল, সমর্থক, মুক্তিযোদ্ধাদের যে ভূমিকা ছিল— তা হয়তো তারা পালন করতে পারেনি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন. “১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর ঘাতকরা বাংলাদেশকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ’ ঘোষণা দিয়েছিল রেডিওতে প্রথম। ওই সময় পাকিস্তানি কায়দায় বাংলাদেশ বেতার হয়ে যায় রেডিও বাংলাদেশ। এভাবে সব নামগুলো এক সময় পরিবর্তন করে দেয়। তবে তা ধরে রাখতে তারা পারেনি। কারণ, এই অন্যায় কখনও আল্লাহও মেনে নেয় না। বাংলাদেশের মানুষ মানেনি।”

আলোচনা সভার শুরুতে ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভার শেষে নিহত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করা হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচির সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রুহুল, উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাদের খান, দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ কামাল, উত্তর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক আখতার হোসেন, উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা। গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।

সারাবাংলা/এনআর/পিটিএম





Source link