১০ লাখ মৃত্যু শেষ ৩ মাসে, আগের ১২ মাসে ২০ লাখ

0
95

ডেস্ক নিউজ:: মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বশেষ তিন মাসে মৃত্যু হয়েছে ১০ লাখ মানুষের। এর আগে এক বছরে অর্থ্যাৎ ১২ মাসে মারা গেছে ২০ লাখ মানুষ। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে মৃত্যু ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

মঙ্গলবার এক বিশেষ প্রতিবেদনে এতথ্য জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স।

বিশ্বব্যাপী প্রতিদিনই বাড়ছে করোনার সংক্রমণ, বাড়ছে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যাও। নতুন ভ্যারিয়েন্টে ঝুঁকি বেড়েছে আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। চলছে ভ্যাকসিন কার্যক্রমও।

রয়টার্স বলছে, করোনায় সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ব্রাজিল ও ভারত। যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরন এ ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। লকডাউন ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি না মানায় পরিস্থিতি বেশি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।

রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, করোনায় মৃতের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে প্রতি চারটি মৃত্যুর মধ্যে একটি হচ্ছে এই দেশে।

ব্রাজিলের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও)। দেশটির স্বাস্থ্য খাতের বেহাল দশারও সমালোচনা করেছে তারা।

স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারিবিদ মারিয়া ভ্যান কারখোভ বলেন, এই মুহূর্তে ব্রাজিলের অবস্থা খুবই ভয়াবহ।দেশটির অনেক হাসপাতালের আইসিইউয়ের ৯০ ভাগের বেশি পরিপূর্ণ হয়ে আছে রোগীতে।

ব্রাজিলের পর ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে ভারতে। যুক্তরাষ্ট্রের পর এই দেশেই সোমবার এক দিনে এক লাখের বেশি মানুষের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া ইউরোপীয় অঞ্চলের ৫১টি দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। ইউরোপে মৃত্যুর ৬০ ভাগই ঘটেছে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইতালি ও জার্মানিতে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন এই সংখ্যা ৫ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি। বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের ১৯ ভাগই যুক্তরাষ্ট্রে।

রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ অর্থ্যাৎ ৩৭০ মিলিয়ন মানুষ করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৯২টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Print Friendly, PDF & Email

Source link