স্বামী স্ত্রী মিলে হত্যা করে দ্বিতীয় স্বামীকে

0
85


ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহ কেওয়াটখালি এলাকায় আশিকুর রহমান ওরফে আশিক (৩০) হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। স্ত্রী জাকিয়া তার সাবেক স্বামী রুবেলকে নিয়ে হত্যা করে দ্বিতীয় স্বামী আশিককে। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে রুবেলকে (৩২) গ্রেফতার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। পরে দুপুরে রুবেলের দেয়া তথ্যে নগরীর কেওয়াটখালি এলাকার রেললাইনের পাশ থেকে হত্যাকা-ে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশিকের স্ত্রী জাকিয়াকেও (২৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত আশিক নগরীর কেওয়াটখালি এলাকার আলাল উদ্দিনের ছেলে। কোতেয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, নগরীর বলাশপুর এলাকার আবদুর রউফের মেয়ে জাকিয়া সুলতানার সাথে বিয়ে হয় একই এলাকার বাসিন্দা রুবেল মিয়ার। বিয়ের এক বছরের মধ্যে কেওয়াটখালি এলাকার যুবক আশিকের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে জাকিয়া। রুবেলের সাথে বছর খানিক সংসার করার পর তাকে তালাক দিয়ে যুবক আশিককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করতে বাধ্য করে জাকিয়া। আশিকের সাথে দুই বছর সংসার করা হলেও জাকিয়া আবারো সাবেক স্বামী রুবেলের সাথে সম্পর্কে জড়ায়। এই পরকীয়া সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে তারা দুজনে মিলে আশিককে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মতো গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় জাকিয়ার স্বামী আশিককে কেওয়াটখালি রেললাইনের পাশে নির্জন স্থানে নিয়ে আসে। রাত সাড়ে সাতটার দিকে তার সাবেক স্বামী রুবেলকে নিয়ে চাকু দিয়ে এলাপাতাড়ি আঘাত করে আশিককে হত্যা করে মরদেহ ফেলে চলে যায়। পরে রাত দেড়টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ মঙ্গলবার সকালে জাকিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করলে সে হত্যাকা-ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সাবেক স্বামী রুবেলকে বৃহস্পতিবার সকালে বলাশপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা আলাল উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। স্ত্রী জাকিয়া ও সাবেক স্বামী রুবেল পরিকল্পিতভাবে আশিককে হত্যা করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুইজনই হত্যাকা-ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

The post স্বামী স্ত্রী মিলে হত্যা করে দ্বিতীয় স্বামীকে appeared first on দিকদর্শন.



Source link