সাতকানিয়ার আবুল কাশেমের জুলুম ও ছলচাতুরীতে অসহায় বিধবা মহিলা।

0
51

সাতকানিয়া প্রতিনিধি

সাতকানিয়ার ইউএনও এর ছলচাতুরীতে অসহায় বিধবা মহিলা।

ইউএনও এর দূর্ব্যবহার আর অসহযোগিতার কারনে সাতকানিয়া ছদাহা ইউনিয়নে বিধবা হাসিনা আক্তারের ভিটে মাটি ছাড়তে হচ্ছে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ অব:পুলিশ কর্মকর্তার হাতে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত১৩ই জুলাই (মঙ্গলবার)সকাল ৯টার নাগাদ।

জানাযায়,বিধবা মহিলা হাসিনা আক্তারের বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে।

তার পৈতৃক ভিটির চারিদিকে বাউন্ডারী আর ভবন নির্মান করে বাড়ি অবরুদ্ব করে শেষ সম্বল ভিটিটা বিক্রি করে দেয়ার জন্য চাপ দেয়।

স্থানীয় এক অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আবুল কাশেম হাসিনা আক্তার সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলেন আমার চলাচলের রাস্তা আপনি বন্ধ করে প্রাচীর নির্মান করেন কেন!তখন আবুল কাশেম হাসিনা আক্তারকে বলেন বাড়ির চারিদিকের কোথা ও তুরে বের হতে দিবনা এটাতে আমি বিলাশ বহুল ভবন নির্মান করব তুই সময় থাকতে কিছু টাকা নিয়ে পৈতৃক ভিটিটা ছেড়ে দে।

তখন অসহায় বিধবা মহিলা শরনাপন্ন হন সাতকানিয়া লোহাগাড়ার সাংসদ এমপি নদভীর নিকট,এমপি নদভী বিষয়টা আমলে নিয়ে একটি পত্র প্রেরন করেন তৎকালীন ইউএনও মোবারক হোসেন বরাবর।

ইউএনও মোবারক বিষয়টা অতীব গুরুত্ব পূর্ন আর অসহায় বিধবা মহিলার প্রতি জুলুম বিবেচনায় নিয়ে গত…..৩০/৫/২০১৯ এবং ১৫/৭/২০১০ বিভিন্ন তারিখে অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আবুল কাশেমকে নোটিশ ইস্যু করেন শুনানীর জন্য কিন্তু আবুল কাশেম উপজেলার শুনানীতে অংশ গ্রহন না করে আইনকে বৃদ্বাঙ্গুলি প্রদর্শন করেন।

ফলে সাতকানিয়া উপজেলার ইউএনও অবৈধ ভাবে ভবন ও প্রাচীর নির্মানের অপরাধে ইমারত আইনে আবারো নোটিশ ইস্যু করেন কিন্তু প্রতাপশালী অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম এগুলোকে কার্পন্য না করো অবৈধ প্রাচীর ও ভবন নির্মান অব্যহত রাখলে,সর্বশেষ গত…… ৩/১২/২০১৯ তারিখে উপজেলার মাসিক সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেবের সভাপতিত্বে আবুল কাশেমের অবৈধ ভবন ভেঙ্গে ফেলার সিদ্বান্ত গৃহিত হয়।

এবং এই সিদ্বান্তের কথা পত্র যোগে ইউএনও অফিস সাতকানিয়া পুলিশ প্রশাসনকে ও অবহিত করেন।

শুধু তাই নই কেন অবৈধ প্রাচীর আর ভবন গুড়িয়ে দিয়ে কেন বিধবা হাসিনা আক্তারের চলাচলের পথ খোলে দেয়া হবেনা সেটার জন্য ও উপজেলা পরিষদ গত ১/১/২০২০তারিখে একটি কারম দর্শানো নোটিশ ইস্যু করেন।

এতদূর আগানোর পরে ও কার্যক্রম থেমে যায়

মাঝখানে সেই ইউএনও মোবারক হোসেন লক্ষীপুর জেলায় বদলী হলেই অব: পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে সাতকানিয়া থানা পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বিধবা হাসিনা আক্তারের পৈতৃক চলাচল ও পৈতৃক ভিটিটা হারাতে বসেছেন।

আগের ইউএনও এর কার্যক্রম বর্তমান ইউনএনও নুরে আলমকে জানানো হলে ও প্রথমে সায়ঁ দিয়ে পরবর্তীতে আবুল কাশেমের সাথে যোগসাজেশে উল্টো আবুল কাশেমকে অনৈতিক সুবিধা দিতে থাকেন,আর হাসিনা বেগম উপজেলার ইউএনও অফিসে গেলে উল্টো ধমক খেতে হয়।

বিধবা হাসিনা আক্তারের অভিযোগ ছদাহার চেয়ারম্যান মোসাদের কথা মত ইউএনও আমার কথা শুনেনা, ইউএনও নুরে আলম বলেন আগের ইউএনও কেন এতটুকু কার্যক্রম চালিয়েছে পুলিশ কাশেমের বিরুদ্বে তা আমার জানা নেই।

এই বিষয়ে আপনি চেয়ারম্যান মোসাদের সাথে যোগাযোগ করেন বলে আমার শেষ সম্বল ভিটির বিষয়টা তিনি বার বার এড়িয়ে যাচ্ছেন।

বিধবা হাসিনা আক্তার বলেন,ছদাহার মোসাদ চেয়ারম্যান আর ইউএনও অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কাশেম থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে আমার বাড়িটি অবরুদ্ব করে রেখেছে,কাশেম পুলিশ,হওয়ার কারনে সাতকানিয়া থানায় ও আমার পাত্তা নেই,সে টাকা ওয়ালা আর পুলিশের লোক হওয়ার সুবাদে উপজেলায় ও চলে আমার উপর অবিচার,এখন কী আমি কোন সদুত্তর পাবনা?

আমি কী আমার পৈতৃক ভিটিতে ওঠতে পারবনা!

অথচ!আমাকে অবৈধ ভাবে অবরুদ্ব করার অপরাধে সাতকানিয়া উপজেলার ইন্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাকের বাদী হয়ে অবৈধ ইমারত আইনে গত.৩০/৫/২০১৯ তারিখ আবুল কাশেমের বিরুদ্বে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে ও প্রেরন করেন অথচ এত বড় ঘটনাটি বর্তমান ইউএনও এবং মোসাদ চৌধুরী অর্থের কাছে শেষ করে দিচ্ছেন।
আমি অন্যায় আব্দার করলে আগের ইউএনও এবং উপজেলা ইন্জিনিয়ার এবং উপজেলা চেয়ারম্যান রেজুলেশন পাশ করে কেন তার ভবন ভেঙ্গে ফেলার সিদ্বান্ত নেবেন,?এগুলো বলতে গেলে উল্টো আমাকে ভয় লাগান এবং মোসাদ চেয়ারম্যানের কথা বলেন।

এই ইউএনও নুরে আলম আমার বিরক্তের কারনে এসিল্যান্ড আল বশিরকে ও কয়েকদিন আগে পাঠিয়েছিলো,তবে সে এখনো কোন সিদ্বান্ত দেয়নি,অথচ আমার বাড়িতে ঢুকার সব চলাচল রাস্তা অফ করে দেয়ার বিষয়টা সে নিজের চোখে দেখে ও নির্বিকার! আসলে এদেশে হচ্ছেটা কী?
এ বিষয়ে এসিল্যান্ড আল বশিরুল আলম বলেন,আগের ইউএনও এর কার্যক্রমের বিষয়ে আমার কথা বলা ঠিক হবেনা।
কেন তিনি অব:পুলিশ কাশেমের বিরুদ্বে এ্যাকশন নেয়া হলো তা ও আমি জানিনা।

অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আবুল কাশেম থেকে ইউএনও নুরে আলম কোন আর্থিক সুবিধা নিয়েছে কিনা জানার জন্য একাধিক বার কল করা হয় এবং সাংবাদিক পরিচয়ে বেশ কয়েকটি ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলে ও তিনি কোন সদুত্তর দেননি।

অবশ্যই তাকে কল করে না পাওয়ার বিষয়টা গত ১৪ই জুলাই চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো:ইলিয়াস হোসেনকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষনিক ইউএনও সাতকানিয়া কে কল করবেন বলে জানান।

আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিধবা হাসিনা আক্তারের পৈতৃক বাড়ি অবরুদ্ব করার বিষয়টা ডাহা মিথ্যা বলে জানান ছদাহার চেয়ারম্যান মোসাদ চৌধুরী,তিনি আরো জানান এটা সব দায়িত্ব ইউএনও নুরে আলমের উপর।

এখানে আমার কিছুই করার নেই।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছদাহার একজন বাসিন্দা বলেন,আসলেই বিধবা হাসিনা আক্তারের প্রতিপক্ষ আবুল কাশেমের পক্ষ হয়ে চেয়ারম্যান আর ইউএনও বিধবা মহিলা হাসিনা আক্তারের বাড়ির চলাচলের সকল রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে মূলত প্রতাপশালী এবং পয়সাওয়ালা অব:পুলিশ আবুল কাশেম থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে।

উল্লেখ্যঃ এই আবুল কাশেম বেশ কিছুদিন আগে হাসিনা আক্তারের ছেলেকে ও মারধর করেন

মতামত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here