সরকারের সুবিধামতো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তৈরি করছে: খন্দকার মোশাররফ

0
91

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি – সরকার নিজেদের সুবিধামতো মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শুক্রবার বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, যারা ক্ষমতায় আছে তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে তাদের ইচ্ছামতো লেখার চেষ্টা করছে। আজকে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং মুক্তিযুদ্ধের যে মূল ইতিহাস তা বিকৃত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ৫০ বছরে মুক্তিযুদ্ধের যে আকাঙ্ক্ষা এবং স্বাধীনতার জন্য আমাদের যে প্রত্যাশা ছিল, সেই ক্ষেত্রগুলোতে কারা কী অবদান রেখেছে, কারা কী ক্ষতি করেছে সেটা সম্পর্কেও বর্তমান প্রজন্মকে ভুল তথ্য দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি উদাহরণ হিসেবে বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধে মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি গণতান্ত্রিক সরকার, গণতান্ত্রিক পরিবেশ। আজকে গণতন্ত্র দেশে নেই। বাংলাদেশে বারবার গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছে, লুটেরা অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক অবিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, অন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ন্যায়-অন্যায়ের কাছে পরাজিত হয়েছে।

আরও পড়ুন : রন হকের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন প্রজন্মের কাছে এসব বিষয় তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ বলেন, বিএনপি সত্যিকার অর্থে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের দল। সেজন্য স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সারাবছর উদযাপন করতে একটি ক্যালেন্ডার আমরা তৈরি করব। এর খসড়া আমরা করেছি।

বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালনে সব উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানান খন্দকার মোশাররফ। দেশের বাইরে প্রবাসেও দিবসটি পালনে অঞ্চল ভিত্তিক কমিটি গঠন করার কথাও জানান তিনি।

জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবদুস সালামের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির মির্জা আব্বাস, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আবদুল আউয়াল মিন্টু, এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরী, আমানউল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, ইসমাইল জবিহউল্লাহ, বিজন কান্তি সরকার, আব্দুল হাই শিকদার, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন,মজিবুর রহমান সারোয়ার, ফজলুল হক মিলন, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাখাওয়াত হাসান জীবন, শ্যামা ওবায়েদ, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, আমিনুল হক, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, শরীফুল আলম, সেলিমুজ্জামান সেলিম, আমিরুল ইসলাম আলিম, রিয়াজ উদ্দিন নসু, আরিফুল হক, জহির উদ্দিন স্বপন ও এবিএম আবদুস সাত্তার প্রমুখ।

সূত্র : যুগান্তর
এন এইচ, ১৩ ফেব্রুয়ারি

Source link