সফলতার অর্জনের জন্য ১০০ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং টিপস

0
220

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং টিপস
টিপস ১ঃ
আপনি যখনই নিশ্চিত হলেন, আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা আরম্ভে আগ্রহী তাহলে প্রথমে নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসা সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞানার্জন করুন। এজন্য অভিজ্ঞদের সহায়তা নিন, বই পুস্তক পড়ুন এবং কোম্পানী কর্তৃক আয়োজিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন।

টিপস ২ঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং যেহেতু মার্কেটিং বা বিপণনের সাথে সংশ্লিষ্ট সেহেতু আপনাকে প্রথমে হতে হবে একজন আদর্শ বিক্রয়কর্মী। কারণ একজন সফল বিক্রয়কর্মীই একজন সফল নেটওয়ার্কার।

টিপস ৩ঃ০
প্রথমে লক্ষ্য স্থির করুন এরপর পরিকল্পনা গ্রহন করুন এবং পরিকল্পনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে তা বাস্তবায়ন করুন।

টিপস ৪ঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফল হতে চাই অধ্যবসায়, অনুশীলন বুদ্ধিমত্তা, নিয়ম-নিষ্ঠা ও পরিশ্রম । রুটিন মাফিক ও সঠিক সময়ানুযায়ী কার্য সম্পাদন করুন।

টিপস ৫ঃ
আজ রাতে বসে আগামী দিনের কর্ম-পরিকল্পনা প্রস্তুত করে ফেলুন, কাজগুলো সময়মত ও সঠিকভাবে সম্পাদনের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিন।

টিপস ৬ঃ
আপলাইন কিংবা ডাউন লাইন এমন কি অন্য গ্রুপের সদস্যদের সাথেও বিনয়ী আচরণ করুন, কারণ বিনয় মানুষকে মহৎ করে।

টিপস ৭ঃ
প্রত্যেকের সাথে কুশল বিনিময় করুন এবং পরিবারের খোঁজ খবর নিন। অনুরূপ অন্যরাও আপনার সুখ-দুঃখের সাথী হবে। এভাবে পারস্পরিক সর্ম্পকের ভিত্তিতে বৃহৎ ব্যবসা গড়ে উঠবে।

টিপস ৮ঃ
শতভাগ সঠিক কোন নেটওর্য়াক মার্কেটিং প্রতিষ্টানে কাজ করতে গিয়ে নিজেকে নিয়ে গর্ব বোধ করুন এবং সহজভাবে প্রতিষ্টান সর্ম্পকে অন্যদের তথ্য সরবরাহ করুন।

টিপস ৯ঃ
কাউকে সাহায্য করছেন এমন মনোভাব দেখাবেন না বরং প্রমান করুন এটি একটি সম্মিলিত প্রয়াস ।

টিপস ১০ঃ
সর্বদা হাসি-খুশী প্রানবন্ত আচরন প্রদর্শন করুন । প্রানবন্ত পরিবেশ অন্যদের মাঝে ইতিবাচক মনোভাব তৈরী করে।

টিপস ১১ঃ
আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে সবকিছু শুরু করুন। আপনার আত্মবিশ্বাস যত দৃঢ় হবে আপনি নেটওর্য়াক ব্যবসায় তত সফল হবেন।

টিপস ১২ঃ
স্বেচ্ছায় শেখার মানসিকতা আপনার থাকতে হবে। বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন উৎস হতে আপনি যত বেশি শিখবেন তত বেশি এগোতে সক্ষম হবেন।

টিপস ১৩ঃ
নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসাকে ঝুঁকিমুক্ত বলা হয় কারণ এতে তেমন কোন বিনিয়োগ নেই এবং খরচও বেশি। কিন্তু শ্রম ও সময়ের যে বিনিয়োগ তা যাতে ব্যর্থ না হয় সেদিকে নজর রাখুন।

টিপস ১৪ঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং একটি নতুন মার্কেটিং সিস্টেম এবং অবিশ্বাস্য আয়ের পথ, এজন্য প্রাথমিক অবস্থায় নতুন ক্রেতা (প্রসফেক্ট) এ পদ্ধতি গ্রহণ নাও করতে পারে। এ সময় আপনাকে অধ্যবসায়ী হতে হবে। প্রতিটি ব্যর্থতাকে এক একটি অভিজ্ঞতা হিসেবে মেনে নিন।

টিপস ১৫ঃ
সময়োচিত ও যথাযথ ফলো-আপের মাধ্যমে দক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর গড়ে তোলা সম্ভব। নেটওয়ার্ক ব্যবসায় হাজারও ডিস্ট্রিবিউটর প্রয়োজন হয় না বরং কিছু সংখ্যক দক্ষ ডিস্ট্রিবিউটর বড় দল গঠনের জন্য যথেষ্ঠ।

টিপস ১৬ঃ
প্রাথমিক পর্যায়ে কমিশন নতুনদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, এজন্য নতুনরা যাতে স্বল্প সময়ে কমিশন লাভে সক্ষম হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

টিপস ১৭ঃ
আপনার ডাউনলাইন ডিস্ট্রিবিউটরদের সাথে আপনার গাঠনিক দুরত্ব যাই হোক না কেন তার সহিত সুম্পর্ক গড়ে তুলুন এবং সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিন।

টিপস ১৮ঃ
ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিকে ভিন্ন ভিন্নভাবে ফলোআপ করুন। কারণ প্রত্যেকের মনোভাব ভিন্ন। এক্ষেত্রে নিজেকে ধৈর্য্যশীল ও অনুপম ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে।

টিপস ১৯ঃ
এমন দু’ধরনের লোককে একত্রে সেমিনারে বসাবেন না। যাদের একজন অস্থির প্রকৃতির অন্যজন স্থির। ফলে একজনের কারণে দু’জনের সম্ভাবনা নষ্ট হবে।

টিপস ২০ঃ
দীর্ঘসময় সেমিনার দেখানোর পর ক্লোজিং এ বসিয়ে পূণরায় ব্রেইন ওয়াশের প্রয়োজন নেই যদি না অতিথির আগ্রহ দেখা যায়।

টিপস ২১ঃ
ক্লোজিং এর সময় অধিক আন্তরিক হোন, অতিথির আগ্রহের প্রতি লক্ষ্য রাখূন, নিজের দূর্বলতা প্রকাশ করবেন না, সর্বোপরি কোন নেতিবাচক আলোচনা তুলে আনবেন না।

টিপস ২২ঃ
আপনার ডাউনলাইন ডিস্ট্রিবিউটরদের কখনো প্ররোচিত করবেন না মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে, বরং পরিশ্রম করে নেটওয়ার্র্ক ব্যবসার মাধ্যমে সাফল্যের স্বর্ণ শিখরে পৌছাঁনোর সুনির্দিষ্ট
উদাহারণ দিন।

টিপস ২৩ঃ
পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী ও বন্ধু বান্ধবদের সাথে নিয়ে নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসার ভিত্তি রচনা করুন। এ ব্যবসায় প্রিয়জনদের সান্নিধ্য আপনাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

টিপস ২৪ঃ
বিনিময় নিশ্চিত করুন যেমন- অর্থের বিনিময়ে পণ্য ও সেবা, শ্রমের বিনিময়ে পারিশ্রমিক এবং সুপরিকল্পনা ও সময়ের বিনিময়ে সাফল্য।

টিপস ২৫ঃ
ঘর হতে বের হওয়ার পূর্বেই পরিকল্পনা তৈরী করে ফেলুন। রাস্তায় বের হয়ে পরিকল্পনা গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন।

টিপস ২৬ঃ
প্রথমে নিশ্চিত হউন, কোন রকম বেঁচে থাকতে চান না সম্পদ গড়তে চান। যদি প্রথমটি হয় তবে চাকুরীতে অধিক মনোযোগ দিন আর যদি দ্বিতীয়টি চান তবে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় লেগে পড়ুন।

টিপস ২৭ঃ
আপনার ডাউনলাইন ডিস্ট্রিবিউটর আপনার জন্য সম্পদ স্বরুপ এদের মাঝ থেকে যতবেশি সম্ভব আপনার ডুপ্লিকেট তৈরী করুন।

টিপস ২৮ঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ কি করা উচিত ও কি অনুচিত জানা প্রয়োজন। কারণ যা উচিত তা আপনাকে একশ ভাগ এগিয়ে দিবে এবং যা অনুচিত তা আপনাকে দুইশ ভাগ পিছিয়ে দেবে।

টিপস ২৯ঃ
শৈশব হতে অদ্যবধি আমরা মানুষের সহযোগিতা গ্রহন করি এবং নিজেরাও অন্যদের সহযোগিতা করে থাকি। নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসায় পারস্পরিক নির্ভরশীলতার উপর গুরুত্ব দিন।

টিপস ৩০ঃ
অন্যের প্রাপ্য মর্যাদা দিন, অন্যের যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন করুন।

টিপস ৩১ঃ
অন্যদের বক্তব্য ধৈর্য্য সহকারে শুনুন। অন্যদের বলার সুযোগ প্রদান করলে আপনার উপর আস্থা বেড়ে যাবে।

টিপস ৩২ঃ
কোম্পানীর কমিশন প্ল্যান ভালভাবে জানা ও এর প্রতি পূর্ণ আস্থা না থাকলে অন্যদেরকে এ ব্যবসায় আকৃষ্ট করাতে ব্যর্থ হবেন। এজন্য কোম্পানীর কমিশন প্ল্যান, বন্টন প্রনালী ও প্রমোশন পদ্ধতির বিষয়ে ভালো ধারণা থাকা আবশ্যক।

টিপস ৩৩ঃ
নিজে যতবেশি জানবেন ও ব্যক্তিত্বের অধিকারী হবেন ততবেশি অন্যদের প্রভাবিত করতে পারবেন।

টিপস ৩৪ঃ
সফলতার জন্য আপনাকে প্রাথমিক অবস্থায় পূর্ণ সময় কাজ করতে হবে। সাফল্য লাভের পর নিজেই নির্ধারণ করে নিন কখন ও কিভাবে সময় প্রদান করবেন।

টিপস ৩৫ঃ
নেটওয়ার্ক ব্যবসায় নিজেকে প্রকাশ করার যথেষ্ঠ সুযোগ থাকে, প্রশিক্ষণ ও মোটিভেশনের মাধ্যমে চারিত্রিক উৎকর্ষক সাধন ও দক্ষ নেতৃত্ব প্রদান করে নিজেকে অনেকের মধ্যে অন্যতম করে তুলুন।

টিপস ৩৬ঃ
নতুন ও একক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন পণ্যের জন্য প্রশিক্ষন গ্রহন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পণ্যের গুনাগুন, পন্যের বৈশিষ্ট্য ও বিশেষত্ব সম্পর্কে ধারণা লাভের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহন করুন।

টিপস ৩৭ঃ
উন্নত ব্যক্তিত্ব শুধু নেতৃত্ব প্রদানে ভূমিকা রাখে না বরং সাফল্যের শীর্ষ বিন্দুতে পৌছাঁতেও সাহায্য করে। অনুপম ব্যক্তিত্ব অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণ নিন।

টিপস ৩৮ঃ
নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসায় আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রশিক্ষণগুলো বেছে নিন। কোন প্রশিক্ষণই বৃথা যায় না।

টিপস ৩৯ঃ
প্রশিক্ষণ গ্রহণের পূর্বে ও পরে কাজের তফাৎ পরখ করে দেখুন। কাজের মূল্যায়ন করার মাধ্যমে প্রশিক্ষনের তাৎপর্য অনুধাবন করা সম্ভব।

টিপস ৪০ঃ
সবসময় কাজে সম্পৃক্ত থাকুন। আপনার কাজের প্রতি আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখে অনেকেই উৎসাহী হবে।

টিপস ৪১ঃ
সময়ের অভাব বা চাহিদা সৃষ্টি করুন। অর্থাৎ প্রথমে একটি ভাল কাজ খুঁজে বের করুন। কাজটিকে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন যেন যে কোন উপায়ে তা সম্পন্ন করতে হবে,
দেখবেন সময় ঠিকই আপনি বের করে নিয়েছেন।

টিপস ৪২ঃ
পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট পরিমান বাজেট নির্ধারন ও নতুনদের মাঠ পর্যায়ে কাজ করানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করুন।

টিপস ৪৩ঃ
টেলিফোনে আলোচনার পূর্বে বা আমন্ত্রনের পূর্বে একটি স্ত্রিপট তৈরী করে হাতে রাখুন। লক্ষ্য রাখুন যাতে কোন তথ্য ভুল দেয়া না হয়। সম্ভাব্য প্রশ্নোত্তর m¤^wjZ স্ক্রিপট তৈরী করুন।

টিপস ৪৪ঃ
নিজেকে ভালো শ্রোতা হিসেবে তৈরী করে নিন। গ্রহীতা বা সম্ভাবনাময় ক্রেতাকে বলার সুযোগ নিন। ফোনালাপে গ্রহীতা আপনার উপর যত আগ্রহী হবে আপনার সম্ভাবনা তত উজ্বল হবে। মনে রাখবেন যে, শ্রোতা যত বেশি সময় নিবে তার কার্যক্রম তত ইতিবাচক হবে।

টিপস ৪৫ঃ
বিক্রয়কর্মীদের ন্যয় কথার্বাতা থেকে বিরত থাকুন এবং কন্ঠস্বর স্বাভাবিক রাখুন। গ্রহীতা (অতিথি) কে সুযোগ প্রদান করছেন এমন ধারনার চেয়ে তাকে সম্ভাবনাময় ব্যবসার পরামর্শ দিচ্ছেন এমন আচরন করুন।

টিপস ৪৬ঃ
কোন একজন ক্রেতার আচরনে বিষন্ন হয়ে ব্যবসার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষন করবেন না। আপনার সফলতার জন্য দু’চারজন উদ্যোমী ক্রেতাই যথেষ্ঠ। আপনার ডাউনলাইনার একজন হলেও তার সঠিক যত্ন নিন। এখান থেকেই আপনার সাফল্যের পথ সৃষ্টি হবে।

টিপস ৪৭ঃ
যে যেই বিষয়ে পারদর্শী সে সেই বিষয়ে সফলতা অর্জন করে, বিষয় ভিত্তিক পারদর্শীতার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত অধ্যায়ন ও অনুশীলন।

টিপস ৪৮ঃ
প্রতিটি আবিষ্কারের পেছনে আত্মবিশ্বাস অন্যতম প্রেরনা হিসেবে কাজ করে, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় যতটা বিশ্বাসী হবেন ততই সফল হবেন।

টিপস ৪৯ঃ
নিজের অভাবটুকু অনুধাবন করুন। যে নিজের অভাব অনুধাবন করতে পারে সে তা পূরন করতে সমর্থ হয় এবং যে অভাব পূরনে সমর্থ হয় সে সাফল্যের পথ খুঁজে পায়।

টিপস ৫০ঃ
যে কাজ অসঠিক মনে হয় তা থেকে বিরত থাকুন। সঠিক কাজ আন্তরিকতার সাথে করুন নিশ্চিত সফল হবেন।

টিপস ৫১ঃ
মনে রাখবেন, বেশী সহযোগিতা অনেক সময় শিশুর মুখে তুলে খাইয়ে দেয়ার মতো হয়। ডাউনলাইনকে সার্বিক সহযোগিতা করুন। কিন্তু গুরুত্ব সহকারে তাদের নিজস্ব ব্যবসা গড়ে তুলতে সহযোগিতা করুন।

টিপস ৫২ঃ
প্রাথমিক র্পযায়ে আয়ের সর্ম্পুনটাই নিজের প্রয়োজনে ও ডাউনলাইন গঠনে ব্যয় করুন । প্রবৃদ্ধি স্তরে আপনার যে আয় অর্জিত হবে তা থেকে সঞ্চয় করুন এবং রয়্যালটি স্তরে সম্পদ গড়ুন।

টিপস ৫৩ঃ
কাউকে অবাস্তব বা অলীক স্বপ্ন দেখাবেন না। যা সম্ভব তা যত কঠিন হোক না কেন অধিকাংশ মানুষ তা গ্রহন করে।

টিপস ৫৪ঃ
অন্যদের ভুলগুলো কৌশলে ধরিয়ে দিন। অনেকের সম্মুখে লজ্জিত না করে ইশারায় তা শুধরানোর সুযোগ দিন।

টিপস ৫৫ঃ
এমন প্রতিশ্রুতি দিন যা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবেন, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি কখনও দিবেন না।

টিপস ৫৬ঃ
নিজের ডাউনলাইনে যতবেশী ডুপ্লিকেট তৈরী করতে সক্ষম হবেন তত বেশী অর্থোপার্জনে সক্ষম হবেন।

টিপস ৫৭ঃ
অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করবেন না। কমিশন লাভের আশায় যারা অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করে অথবা অপ্রদর্শিত পণ্য বিক্রয় করে তারা মূলত পিরামিড স্কীমের মাধ্যমে ব্যবসা করে।

টিপস ৫৮ঃ
নেটওয়ার্ক ব্যবসায় নিয়মিত ও পরিকল্পিত কাজের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা সমপ্রসারনের মাধ্যমে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু দ্রুত ধনী হওয়া যায় না।

টিপস ৫৯ঃ
আপনি কি নিশ্চিত আপনার প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকার মত সামর্থ রয়েছে। যদি তাই হয় তবে আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রত্যেকের সাথে ব্যবসা বিষয়ক আলোচনা করুন। গর্ববোধ করুন আপনার প্রতিষ্ঠান নিয়ে।

টিপস ৬০ঃ
মূল্যবান সময়কে কে কতটা কাজে লাগাতে পারে তা নির্ভর করে তার মনোভাবের উপর। ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলুন অন্যদের চেয়ে সাফল্যের পথে একধাপ এগিয়ে থাকুন।

টিপস ৬১ঃ
আপনার চারপাশের নেতিবাচক বিষয়গুলো আপনার মনোভাবে যাতে প্রভাব ফেলতে না পারে এজন্য সেগুলোকে ক্ষনস্থায়ী মনে করুন এবং এগিয়ে চলুন।

টিপস ৬২ঃ
কারো প্রচেষ্টাকে খাটো করে না দেখা বরং সহযোগিতামূলক আচরণ প্রদর্শন করুন এবং প্রত্যেকের কাজের স্বীকৃতি প্রদান করুন।

টিপস ৬৩ঃ
আপনার প্রতিষ্ঠানের কমিশনপ্ল্যানটি যদি বাইনারী বা মেট্টিক্স হয় তবে সেল্স ও স্পন্সরিং দুটোতেই জোর দিন। যদি ইউনিলেভেল বা হাইব্রিড হয় তবে সেল্সের প্রতি কিছু বেশী গুরুত্ব দিন।

টিপস ৬৪ঃ
নেটওর্য়াক ব্যবসায় যত সময় ব্যয় করবেন তত সফল হবেন। পর্যবেক্ষণ করে নয় বরং কাজে লিপ্ত থেকে এ ব্যবসা শিখতে হবে।

টিপস ৬৫ঃ
প্রশিক্ষণ গ্রহন করুন সঠিক পথের জন্য। বই পড়ুন জ্ঞানের জন্য এবং টীম গঠন করুন রেসিডিউয়্যাল আয়ের জন্য।

টিপস ৬৬ঃ
যদি আপনার লোকজন ব্যবসা সৃষ্টির জন্য সচেষ্ঠ না হন তাহলে তাদের নিয়ে আপনার সময় নষ্ট করা উচিত নয়। তদ্পরিবর্তে যারা ব্যবসা সৃষ্টিতে আগ্রহী তাদেরকে সময় দিন এবং ভবিষ্যতে অন্যদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।

টিপস ৬৭ঃ
আপ-লাইন লিডার ও ডাউনলাইন ডিস্ট্রিবিউটরদের নিয়ে গঠিত দলে প্রত্যেকের বিশ্বাস আবশ্যক এবং প্রত্যেকে মিলে লক্ষ্যস্থির করতে হবে যেখানে কারো জন্য অপেক্ষা করা অনুচিত।

টিপস ৬৮ঃ
দলে অর্ন্তগত একে অন্যের কাজে সহযোগিতা ও পরামর্শ গ্রহন ও প্রদান করুন। প্রত্যেকে দলীয় শৃঙ্খলা ও নীতিমালা মেনে চলুন।

টিপস ৬৯ঃ
জ্ঞাত কর্মফল আপনাকে সফলতা এনে দেবে না। আপনাকে প্রতিশ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজে নামতে হবে।

টিপস ৭০ঃ
একজন সফল ব্যক্তি ঐ ব্যক্তি যিনি নিজের ভুল হতে শিক্ষা গ্রহন করেন। কিন্তু একজন অতি সফল ব্যক্তি ঐ ব্যক্তি, যিনি অন্যের ভুল হতে শিক্ষা গ্রহন করেন।

টিপস ৭১ঃ
প্রত্যেকে নিজ নিজ আপ-লাইন ও ডাউন-লাইনের সহিত যোগাযোগ রাখুন। দলীয় সংহতি বজায় রাখার জন্য, দলীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য এবং ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জনের জন্য যোগাযোগ অপরিহার্য।

টিপস ৭২ঃ
অনেক লোক নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসার উন্নয়নে ব্যর্থ হন। এটা হয়ে থাকে চেষ্টার অভাবে নয় বরং চেষ্টাকে কোন খাতে নিয়োজিত করবেন তার কারনে।

টিপস ৭৩ঃ
আপনি কিংবা আপনার ডাউন-লাইন কর্তৃক আহ্বানকৃত সভার সফল সমাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু করুন এবং আপ-লাইন লিডারদের নিমন্ত্রণ করে ব্যবসা উন্নয়নের উপায় বের করুন।

টিপস ৭৪ঃ
টীম বা দলের আদর্শ, নীতি ও মূল্যবোধ আপনি যেমন মেনে চলবেন তেমনি অন্যরা যাতে মেনে চলে লক্ষ্য রাখুন।

টিপস ৭৫ঃ
নিজেকে নেতা হিসেবে প্রমাণের প্রয়োজন নেই, আপনার মোহনীয় ব্যক্তিত্ব, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের সচেতনতা, সিদ্ধান্ত গ্রহন ও নির্দেশনায় দূরদর্শিতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সৎ উদ্যেগ, ন্যয় ও পরায়নতা, সৃজনশীলতা ও প্রেরণা আপনাকে সফল নেতার স্থানে আসীন করবে।

টিপস ৭৬ঃ
অনুমান করবেন না। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং-এ ক্রমাগত নতুন লোক ব্যক্তিগতভাবে স্পন্সর করার উপর যদি আপনার ভবিষ্যতের আয় নির্ভর করে অথবা যদি আপনাকে পার্সোনাল সেল্স ভলিউম কোটা অনুসরণ করতে হয় সেটা আপনার ব্যক্তিগত গড় ভোগ অপেক্ষা অনেক বেশী, তবে সাবধান, পরে আপনার আর ছেড়ে পালাবার সুযোগ থাকবে না।

টিপস ৭৭ঃ
কিছুদিন পূর্বে একটা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনেক মানুষ প্রতারিত হয়েছিল এমন ধারণা মনে পোষবেন না বরং ধরে নিন নতুন অনেক প্রতিষ্ঠান বৈধ উপায়ে কাজ করছে যারা মানুষের কল্যাণে নিবেদিত-তাদের খুঁজে নিন।

টিপস ৭৮ঃ
যদি সফলতার জন্য নেটওর্য়াক ব্যবসা আমার অগ্রাধিকার তালিকায় না আসে তাহলে এজন্য কখনো সময় বরাদ্দ করবো না। তাই সম্ভাব্য ক্রেতাকে এমনভাবে এ ব্যবসার সুবিধা প্রদর্শন করতে হবে যাতে তার জীবনের লক্ষ্যর্জন এবং স্বপ্নপূরণ এটি সহায়ক হয়। যার জন্য তিনি এ ব্যবসায় সামান্যতম সময় হলেও বরাদ্দ করেন।

টিপস ৭৯ঃ
নেটওর্য়াক মার্কেটিং এ রাতারাতি ধনী হতে শেখায় না কিন্তু ধনী হওয়ার সহজ পথের সন্ধান দেয়। যারা প্রকৃতপক্ষে ধনী হতে চায় তারা এ পথ খুঁজে নেন।

টিপস ৮০ঃ
প্রশ্নের দ্বৈততা এড়িয়ে চলুন। সম্ভাব্য ক্রেতা যদি ব্যবসায় যোগদানে সম্মত হন, তাহলে আলোচনা দীর্ঘায়িত করবেন না। আলোচনা তাৎক্ষনিক বন্ধ করে আবেদন ফরম পূরণ করতে দিন। বহু নেটওর্র্য়াক ব্যবসায়ী দীর্ঘায়িত আলোচনার প্রেক্ষিতে সম্ভাব্য ক্রেতা না বলার সুযোন পান।

টিপস ৮১ঃ
নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসায় তিনটি বিষয়ের প্রাধান্য প্রদানের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা যায়।
ক) উপস্থাপনের যোগ্যতা বাড়াতে হবে।
খ) নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষমতা বাড়াতে হবে।
গ) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল আয়ত্ত করতে হবে।

টিপস ৮২ঃ
লোকজন আপনাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আপনি সঠিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করুন।

টিপস ৮৩ঃ
অনেকের মধ্যে তিনিই সেরা যিনি বেশী শোনেন অথচ কম বলেন, এক উত্তরের মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্নের জবাব পেয়ে যান।

টিপস ৮৪ঃ
সফলতার জন্য আপনি কতটা সন্তুষ্ট হতে পারলেন তা নয় বরং ক্রেতারা আপনার মতো এটি করার জন্য কতটা সন্তুষ্ট হতে পারলো সেটাই মূখ্য বিষয়। একেবারে তাদেরকে সমস্ত বিষয়গুলো বলে দেওয়ার প্রবনতাই তাদের জন্য কঠিন কাজ হতে পারে। সুতরাং “Keep it Simple and Duplicate”.

টিপস ৮৫ঃ
একজন অপরাধীর নিকট হতে সুযোগ গ্রহন করা এবং নিজে অপরাধ করা সমান। পিরামিড স্কীমের সুযোগ গ্রহন করে অন্যকে ঠকানো আত্মহত্যার শামিল। যা আপনার বিবেককে ধ্বংস করবে। অতএব সাবধানে পা ফেলুন, সত্যের পথ কঠিন হলেও শান্তিময়।

টিপস ৮৬ঃ
প্রশ্নোত্তরে অধিক আন্তরিক হোন কিন্তু তোষামোদ করবেন না। প্রসপেক্টকে যদি গুরুগম্ভীর মনে হয়, তাহলে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে দিন। তাকে যোগদানে বাধ্য করার প্রচেষ্ঠা থেকে বিরত থাকুন।

টিপস ৮৭ঃ
সময়ের সাথে সাথে আমাদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে-বিষয়টি সত্য। আবার এও সত্য যে কঠিনতম জীবনযাত্রা সহজ করার অনেক পন্থা আবিষকৃত হচ্ছে যার একটি নেটওর্য়াক মার্কেটিং অতএব আস্থা হারাবেন না।

টিপস ৮৮ঃ
কেন কিছু লোকজন এ ব্যবসায় আসছে এবং কেন কিছু লোকজন এ ব্যবসায় আসতে চায় না। এর দশটি করে উত্তর লিপিবদ্ধ করুন, অনেক কিছুর উত্তর পেয়ে যাবেন যা আপনার অজানা ছিল।

টিপস ৮৯ঃ
অনেক লোকই নেটওর্য়াক মার্কেটিংয়ের সিস্টেম অনুসরণ করতে অনিচ্ছুক। কারণ, নিয়ম-শৃঙ্খলা ছাড়াও এখানে ব্যক্তিগত শ্রম ও টাকা ইনভেষ্ট করার প্রয়োজন হয়।

টিপস ৯০ঃ
উপলব্ধি করুন আপনার অভাব, উপলব্ধি করুন আপনার কর্মক্ষেত্রের, উপলব্ধি করুন আপনার উপর নির্ভরশীলদের, উপলব্ধি করুন আপনার প্রচেষ্ঠার, উপলব্ধি করুন ভবিষ্যত পরিকল্পনা।

টিপস ৯১ঃ
আপনার প্রত্যাশা মোতাবেক নেটওর্য়াক ব্যবসা যদি বৃদ্ধি না পায় তাহলে আপনার ফলো-আপের ধরন সঠিক করুন। আপ-লাইন লিডারের অভিজ্ঞতার নিরিখে আপনার ফলোআপ পর্যালোচনা করুন এবং তাদের পরামর্শ নিন।

টিপস ৯২ঃ
টীমওর্য়াক হলো আপনার নিজ হাতে লাগানো গাছে পানি দেওয়ার মতো। গাছের যত পরিচর্যা তত পুষ্টতা লাভ করে বেড়ে উঠবে। আর যদি পরিচর্যা না করেন তবে তা হবে রাস্তার ধারে অপরিকল্পিতভাবে লাগানো গাছের ন্যয়।

টিপস ৯৩ঃ
কর্ম পরিকল্পনা আপনার চিন্তা ও কাজের মধ্যে সেতু বন্ধন তৈরী করে। এটা অনেকটা যাত্রাপথের ম্যাপ হাতে রাখার মতো।

টিপস ৯৪ঃ
নতুন আবিষ্কারের প্রতি নমনীয় ধারনা পোষন করুন। কারন প্রতিটি আবিষ্কারেরই একটা কল্যানকর দিক রয়েছে যা আপনি সহজে গ্রহন করতে পারেন।

টিপস ৯৫ঃ
কিছু লোক স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে, কিছু লোক কাজ করতে ভালবাসে। এবং কিছু লোক কথা বলতে ভালবাসে। আপনি বেছে নিন যে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরে ভালবাসে তাকে।

টিপস ৯৬ঃ
যার হাত ধরে আপনি এ ব্যবসায় এসেছেন তাকে সম্মান করুন কিন্তু পুঁজো নয়। কারন আপনার সাফল্যে সেও সফলতা পাবে এবং প্রতিষ্ঠানের কাজে আন্তরিক হোন কিন্তু কর্তৃপক্ষের কাছে আপনি ঋণী এমন ভাববেন না।

টিপস ৯৭ঃ
মেকী আচরন না করে অনেকের নিকট দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার চেষ্টা করুন। আপনার কর্মফল আপনাকে অন্যদের থেকে পৃথক ও একক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন করে তুলবে।

টিপস ৯৮ঃ
আপনার টীমে যতবেশী লিডার থাকবে ততই প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হবে এবং সফলতাও মধুর হবে। অতএব লিডার খুঁজে বের করার জন্য আপনাকেই প্রথমে লীডার হতে হবে।

টিপস ৯৯ঃ
ঐ প্রতিষ্ঠানই সেরা যেখানে পণ্য বিক্রয় ছাড়াও সিস্টেম বিক্রয়ের সুযোগ রয়েছে। রয়্যালটি আয়ের জন্য আপনাকে সিস্টেম বিক্রয়ের প্রতিই অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। অতএব সেই প্রতিষ্ঠানটি বেছে নিন।

টিপস ১০০ঃ
যারা নেটওর্য়াক মার্কেটিং ব্যবসাকে এখনও সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখে তাদের বলুন অসংখ্য মানুষের ভাগ্য যেখানে জড়িয়ে যায় সেখানে মন্দটিও ভালো হয়ে যায়। মানুষ জানে মন্দ কখনও দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

মতামত

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে