সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রয়েছে অটল রাষ্ট্রীয় নীতি

0
101

ঢাকা, ১৩ মার্চ – জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সংহতি ও সর্বস্তরে একতাবদ্ধ প্রচেষ্টা। শুধু আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসবাদ একটি বড় হুমকি নয়, এটি ২০৩০ সালের উন্নয়ন এজেন্ডা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্তরায়। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রয়েছে অটল রাষ্ট্রীয় নীতি।

শুক্রবার (১২ মার্চ) সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশলের উচ্চ পর্যায়ের প্লেনারি সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থায়ী প্রতিনিধির অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশল বাস্তবায়নে কোভিড-১৯ এর প্রভাব বিষয়ক মহাসচিবের প্রতিবেদনটিকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। এক্ষেত্রে কোভিড-১৯ অতিমারির সময়ে সৃষ্ট ইনফোডেমিক, ঘৃণাত্বক বক্তব্য ও জাতিগত বিদ্বেষের মতো সন্ত্রাসবাদের নব্য ধারার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার ওপর জোর দেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

আরও পড়ুন : টিক্কা খানের সামরিক ফরমান প্রত্যাখ্যান

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ সদস্যদেশ সমূহের মধ্যে নিবিড় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সৃষ্টি ও পারস্পারিক আইনি সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাস দমন কৌশলের বাস্তবায়ন এগিয়ে নিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধ ও নির্মূল করতে সদস্যদেশ সমূহকে প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত মর্মে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলো সক্ষমতা বিনির্মাণ ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে জাতিসংঘ থেকে যথোপযুক্ত সহায়তা পাবে।

প্রসঙ্গত, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সদস্য দেশসমূহকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার লক্ষ্যে ২০০৬ সালে জাতিসংঘ বৈশ্বিক সন্ত্রাস দমন কৌশল গ্রহণ করে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
এন এইচ, ১৩ মার্চ

Source link