সংকট উত্তরণে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির বিকল্প নেই : জেবেল

487

দেশের জাতীয় সংকট সংকট উত্তরণে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়ন মুক্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন কায়েম ও অগ্রগতি-সমৃদ্ধির জন্য জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য।

সোমবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের অখন্ডতা রক্ষা, জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, ব্যক্তি ও সামষ্টিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সুশাসন নিশ্চিতকরণ, সকল প্রকার বঞ্চনার অবসান, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, সন্ত্রাস, অবিচার, অত্যাচার, চাঁদাবাজি প্রভৃতি রোধ এবং নির্বাচনে নিরপেক্ষ এবং দলীয় নিয়ন্ত্রণমুক্ত কর্তৃপক্ষের অধীনে জনগনের ভোটাধিকার প্রয়োগের অবাধ সুযোগ প্রদান প্রভৃতি বিষয়ে ধর্ম-বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকেতে হবে। মনে রাখতে হবে জাতীয় ঐক্য ছাড়া কোনও জাতি টিকে থাকতে পারে না।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য ও সংহতি জাতির উন্নয়ন এবং বৈষম্য দূরীকরণেরও রক্ষাকবচ। এই ঐক্য ও সংহতি নিছক নির্বাচন বা ভোট কেন্দ্রিক জোট নয়। যারা দেশকে ভালবাসেন, গণতন্ত্রকে ভালবাসেন মতপার্থক্য থাকলেও দেশ এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তাদের নিজেরদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাংলাদেশ ন্যাপ দেশ-জাতি ও জনগনের স্বার্থে যে কোন জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, বাংলাদেশ এখন এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। মানবাধিকার পদদলিত, দেশে সুশাসন নেই, গণতন্ত্র নির্বাশনে। দুর্নীতি স্বজন ও দলপ্রীতি আমাদের ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছে। এ থেকে উদ্ধার পাবার জন্য জাতীয় ঐক্য অপরিহার্য। সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে ঐক্য প্রক্রিয়া শেষ করে দেশকে উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার মশিউর রহমান গানি, মনির এনায়েত মল্লিক, ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব মো. নুরুল আমান চৌধুরী, মো. আতিকুল ইসলাম, এহসানুল হক জসীম, কৃষক মো. মহসীন ভুইয়া, কেন্দ্রীয় নেতা মো. কামাল ভূঁইয়া, রেজাউল করিম রীবন, মতিয়রা চৌধুরী মিনু, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম প্রমুখ।