শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা সাপাহার উপজেলার মুৎরইল ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ

0
160

নয়ন বাবু, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার উপজেলার মুৎরইল ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, মুৎরইল ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে কতিপয় স্বার্থপর ব্যক্তির সহযোগীতায় গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংশের দ্বার প্রান্তে উপনীত করেছেন। মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার করুন পরিনতি ও মাদ্রাসার সম্পদ সূচতর ধ্রুত ব্যক্তিদের দ্বারা জবর দখল এর প্রতিকার না করা সহ নানাবিধ বে-আইনী কার্যকলাপে লিপ্ত রয়েছেন অধ্যক্ষ। এসবের পিছনে তার শক্তি বা সহযোগী হিসেবে সমর্থনকারী অবৈধ মনগড়া পকেট কমিটি গঠন করে।

অভিযোগে আরো জানা যায়, অভিভাবকদের খসড়া ভোটার তালিনা সরবরাহ না করা। চুড়ান্ত ভোটার তালিকা মাদ্রাসার নোটিশবোর্ডে টাংগায় প্রকাশ না করে, নির্বাচন তপশীল ঘোষনা না করে, অভিভাবকদের নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার সুযোগ না দিয়ে রাতের অন্ধকারে ভূয়া কমিটি গঠন করেছেন। দুইজন অভিভাবক সদস্য গ্রহণ করা হয়েছে অথচ তারা দুইজন অভিভাবক নয়।

আশরাফুল ইসলাম স্বাক্ষর জ্ঞান সম্পূর্ন ব্যক্তি তাকে এইচএসসি পাশের সুপারিশ করে শিক্ষানুরাগী সদস্য করা হয়েছে অথচ তিনি এইচএসসি পাশ নয় এছাড়া ভূয়া দাতা সদস্য গ্রহণ করা হয়েছে যিনি দাতা নয়। এবতেদায়ী শাখা থেকে কোন অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধি কমিটির সদস্য গ্রহণ করা হয়নি।
মাদ্রাসার অর্থ ব্যাংকে জমা না করে ইচ্ছে মতো ব্যায় করছে অধ্যক্ষ। গত ০৮-০৮-২০১৮ ইং তারিখ রাতের অন্ধকারে গঠন করা ভূয়া কমিটি অনুমোদন পায়। এ যাবত পর্যন্তবেশকটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে অথচ একটিতেও সভাপতি উপস্থিত ছিলেন না তারপরেও অধ্যক্ষ সাহেব সভাপতির উপস্থিত দেখিয়ে স্বাক্ষক করেছেন।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার অনিয়ম ও দূর্নীতি বন্ধ সহ কুচক্রি স্বার্থপর, অর্থলোভী অধ্যক্ষের মুক্ত থেকে মাদ্রাসা মুক্ত সহ এলাকাবাসীর দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালনার দায়িত্ব অর্পন করত: শিক্ষার মান উন্নয়ন সহ সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা প্রদানের জন্য সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এলাকাবাসী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি কথা বলতে রাজি হননি এবং সাংবাদিকদের অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।