লাখ টাকা আয় যখন প্রতি মাসে মতিউরের

0
101


করোনা মহামারিতে যখন পুরো বিশ্ব থমকে গিয়েছে, তখন তরুন সমাজ বিভিন্ন দিক দিয়ে এগিয়ে এসেছে নিজ নিজ জায়গা থেকে। অনেকে এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন সামাজিক কাজে, কেউ অর্থনৈতিক কাজে নিজের ভুমিকা পালন করেছেন।

আজ আমরা তেমনই একজনের কথা জানবো যিনি আজ একজন সফল উদ্যোক্তা। যিনি করোনা মহামারীর পুরো সময়টাকে কাজে লাগিয়ে আজ সফল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মতিউর রহমান। করোনার মহামারিতে যখন আস্তে আস্তে ছুটি বাড়তে থাকে তখন সময় কাটানোর জন্য মুরগি পালন শুরু করেছেন তিনি। শুরুতে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ ঋণ নেন।

মতিউরের বাড়ির পাশেই প্রায় বারো বিঘা জমির উপরে একটি পুকুর রয়েছে। পুকুরে মাছ চাষ করেন তিনি। পুকুরের উপরে ভাসমান তিনটি লেয়ার মুরগির শেড। মুরগির বিষ্টা মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এভাবেই চলছে মাছ ও মুরগি পালন। মাছ বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন তিনি ।

প্রতিটি শেডে এক হাজার করে মুরগি। দু মাস যেতে না যেতেই মুরগিগুলো ডিম দেয়া শুরু করে। ডিম বিক্রি করে তিনি আয় করেছেন প্রায় দেড় লাখ টাকা। এখন প্রতিদিন ১৮০০ মুরগি ডিম পাড়ে। সেগুলো তিনি বাজারে পাইকারি দামে বিক্রি করেন। ১০০ ডিম বিক্রি হয় প্রায় ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়।

প্রতিদিন মুরগির পেছনে প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা খরচ হয় খাবার এবং ঔষুধ বাবদ। এসব খরচ বাদেও প্রতি মাসে এখন মতিউরের আয় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা।

প্রথমে বাবা সহ এটি শুরু করেছিলেন, এখন আরো দুইজন কাজ করেন। প্রতিদিন মতিউর খামারে সময় দেন চার ঘণ্টা করে। তিনি প্রায় ১১০০ মুরগির দেখাশোনা করেন, বাকি ২০০০ মুরগি বাকি দুইজন দেখাশোনা করেন। তিনি তার চাচার কাছ থেকে এই আইডিয়া পান এবং তখন থেকেই মুরগি পালনে মনোযোগী হন তিনি।

পরিবার তার এ সাফল্যে অনেক খুশি। মতিউরের বিশ্বাস সামনে আরো আয় বাড়বে। 

খায়রুন্নাহার পিংকি 

কন্টেন্ট রাইটিং ডিপার্টমেন্ট ,ইন্টার্ন

ওয়াইএসএসই



Source link