লম্পট শিক্ষকের প্রেমের ফাঁদে পড়ে সব হারালো কলেজ ছাত্রী

অপরাধ ডেস্কঃ জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় উকিল মিয়া নামে এক কলেজ শিক্ষকের পাতা ফাঁদে পড়ে এক টানা ৪ বছর ধরে ধর্ষণের শিকার হযেছেন আসছেন এক কলেজছাত্রী।

এ ঘটনায় রবিবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী মেয়েটি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

!-- Composite Start -->
Loading...

অভিযুক্ত উকিল মিয়া শেরপুর জেলা শহরস্থ একটি মহিলা ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিভাগে প্রভাষক পদে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগে জানা যায়, ২০১৩ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সময় গৃহশিক্ষক ছিলেন উকিল মিয়া। একপর্যায়ে মেয়েটির সঙ্গে শিক্ষকের ঘনিষ্ঠ সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করে তা ভিডিও ধারণ করেন উকিল মিয়া।

এই ভিডিওকে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে গত ৪ বছর ধরে তাকে ধর্ষণ করে আসছেন বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাখিয়া ইউনিয়নের পাগলাপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে উকিল মিয়া। ঘটনা এখানেই শেষ নয়, ভিডিও ও ছবির পাশাপাশি সর্বশেষ ৩ লাখ টাকাও দাবি করেন ধর্ষক উকিল মিয়া। এর আগে এই ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে পর্যায়ক্রমে আরও দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করে নির্যাতিতা ওই কলেজছাত্রী।

বকশীগঞ্জ উপজেলাস্থ একটি কলেজের বিএ ৩য় বর্ষে অধ্যায়নরত নির্যাতিত ওই ছাত্রী জানান, প্রথমে তিনি আমাকে প্রাইভেট পড়াতেন। পরবর্তীতে তিনি বিয়ের প্রলোভনে আমাকে ধর্ষণ করে তার ভিডিও এবং ছবি তুলে রাখেন। আমি সামাজিক ও পারিবারিক সম্মানের কথা চিন্তা করে কাউকে কিছু বলিনি।

ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচতে ইতোমধ্যেই পর্যায়ক্রমে দুই লাখ টাকাও তুলে দেই কিন্তু সেটাতেও তিনি ক্ষান্ত হননি। এখন আমার পরিবারের কাছ থেকে আরও ৩ লাখ টাকা দাবি করেছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কলেজ শিক্ষক উকিল মিয়ার বাড়িতে গিয়েও তাকে না পাওয়ায় এখানে তার কোনো মন্তব্য নেওয়া যায়নি।

বকশীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মাহাবুবুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উকিল মিয়াকে ধরতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মতামত দিন

Post Author: newsdesk

A thousand enemies is not enough; a single enemy is. There is nothing as a ‘harmless’ enemy.