রিসাইকেল প্লাস্টিকে তৈরি হচ্ছে কোকাকোলার নতুন বোতল

0
147

ডেস্ক রিপোর্ট: : কোকাকোলার প্লাস্টিকের বোতল নতুন সাইজে বাজারজাত করা শুরু হয়েছে। এক দশকে প্রথমবারের মতো পরিবর্তন করা হয়েছে বোতলের আকার। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, শতভাগ রিসাইকেল করা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বোতলগুলো।

নতুন ১৩ দশমিক ২ আউন্সের প্লাস্টিকের বোতলে চলতি সপ্তাহেই কোক পৌঁছে যাবে সবার কাছে। প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে বছরের পর বছর বহু পদক্ষেপের কথা জানালেও এই প্রথম দৃশ্যত কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কোকাকোলা কর্তৃপক্ষ।

বোতলের এ আকৃতি নির্ধারণ করা হয়েছে তরুণদের মন জয় করতে, ২৫ বছরের নিচে যারা কোকাকোলা পছন্দ করে এই বোতলের কোক তাদের জন্য।

চলতি মাস থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, কানেক্টিকাট, ফ্লোরিডা আর ক্যালিফোর্নিয়ায় পাওয়া যাবে এ কোকের বোতল। গ্রীষ্ম মৌসুমে সারাবিশ্বে পাওয়া যাবে এ বোতলে কোক। এ বোতলে কোকাকোলা, ডায়েট কোক ও কোক জিরো সুগার পাওয়া যাবে ১ ডলার ৫৯ সেন্টে।

কোকাকোলা কর্তৃপক্ষ সংবাদ মাধ্যম সিএনএনকে জানায়, ভোক্তারা অনেক আগে থেকেই ছোট এবং সহজে খাওয়া যায়, এমন বোতলে কোক বাজারজাত করতে বলছিলেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা শতভাগ রিসাইকেল করা প্লাস্টিক দিয়ে কোকের বোতল বানিয়েছেন।

তবে ইস্পাতের ক্যানের চেয়ে কিছুটা বড় ১৩ দশমিক ২ আউন্সের এ বোতল। কিন্তু ২০ আউন্সের সাধারণ বোতলের চেয়ে অনেক ছোট এটি। পুনঃপ্রক্রিয়াজাত প্লাস্টিক দিয়ে ২০ আউন্সের কোক আর ডায়েট কোকের বোতলও তৈরি হবে নিউইয়র্ক, টেক্সাস আর ক্যালিফোর্নিয়ায়।

জনপ্রিয় কোমল পানীয় ব্র্যান্ড কোকাকোলা অতিরিক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণের জন্য সবসময় সমালোচিত হচ্ছে। পরিবেশ দূষণে এ ব্র্যান্ডের ভূমিকা আছে। পরিবেশবাদী একটি ফার্মের গবেষণা বলছে, গেল বছর প্লাস্টিক দূষণে শীর্ষস্থানে ছিল কোকাকোলা।

২০১৮ সালে ‘আবর্জনামুক্ত বিশ্ব’ গড়তে উদ্যোগ নেয় কোকাকোলা। ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে এ উদ্যোগের। শুধু কোকাকোলাই নয়, বহুজাতিক আরও অনেক প্রতিষ্ঠানই প্লাস্টিক দূষণ রোধে কাজ করছে। বৃহত্তম খাবারের প্রতিষ্ঠান নেসলে গেল বছর ঘোষণা দিয়েছে, প্লাস্টিক দূষণ রোধে ২শ’ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবেন তারা। পেপসিও নিজেদের কোমল পানীয়র ২ লিটারের বোতলে পরিবর্তন এনেছে, যেন বোতল তৈরিতে ২৪ শতাংশ কম প্লাস্টিকের প্রয়োজন পড়ে।

Print Friendly, PDF & Email

Source link