রাজশাহীতে ড্রাইভার ইকবালের মাদক ব্যবসার প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

0
120

লিয়াকত রাজশাহী ব্যুরোঃ চাঁপাই নবাবগঞ্জের জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের গাড়ির চালক ইকবালের মাদক ব্যবসা ও অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইকবালের বড় স্ত্রী লাইলা বেগম। রবিবার ৪ মার্চ দুপুর ১২টায় রাজশাহীর মতিহার থানাধীন কাজলায় এই সংবাদ সম্মেলন করেন ইকবালের স্ত্রী লাইলা বেগম। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন ১৭ বছর পূর্বে রাজশাহীর কাশিয়া ডাংগা থানার বিদ্দির পাঠান মহল্লার মোঃ আফজালের ছেলে ইকবালের সাথে তার পারিবারিক ভাবে বিয়েহয়। আর বিয়ের পর লাইলা বেগম জানতে পারেন ইকবাল মাদক আসক্ত। লাইলা বেগম মাদক থেকে ফিরে আসার জন্য ইকবালকে একাধিক বার অনুরোধ করলেও ইকবাল তার স্ত্রীর কথার কোন কর্ণপাত করেন না। লাইলা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন মন্ডল এর ছত্র ছায়াতেই ইকবাল মাদক সহ বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। এরই মাঝে ইকবাল অন্ধকার জগতে পারেখে তিনটি বিলাস বহুল গাড়ি ও কোটি টাকার জমি ক্রয় করেছেন। এই নিয়ে লাইলা বেগম পুনরায় প্রতিবাদ করলে ইকাবাল লায়লা বেগমকে বাড়াবাড়ি না করার জন্য আবারো শাসিয়েদেন। লায়লা বেগম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন মন্ডলকে লিখিত ভাবে ইকবালের বিষয় নিয়ে অভিযোগ করেন। তার পরেও চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ইকবালের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নাই। লাইলা বেগম ইকবালের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা সহ নিজের উপর নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে গত ৭/২/ ২০২১ ইং তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরেও ইকবাল চালিয়ে যায় তার সকল অপরাধ জগতের কার্যক্রম। পরে ৩০/১/২০২১ তারিখে রাজশাহীর কাশিয়া ডাংগা থানায় ইকবালের নামে একটি জিডি করেন লাইলা বেগম। তিনি বলেন জিডি করার পর থেকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন মন্ডল তার পরিষদের সকল কে নির্দেশনাদেন যেন ইকবালের বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ না করেন। চেয়ারম্যানের নির্দেশনা পেয়ে ইকবাল আরো বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ইকবাল চাঁপাই নবাবগঞ্জের এক হিন্দু প্রজাতির মেয়েকে গোপনে বিয়ে করে সেটি ও প্রকাশ্যে নিয়ে আসেননি। লাইলা বেগম বলেন চাঁপাই নবাবগঞ্জে জেলা পরিষদের ডাকবাংলাতে থাকা কালিন সময়ে চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন মন্ডল ইকবালের সাথে একই রুমে বসে মদ সেবন করত। সেখানে রান্নার কাজ করতেন লাইলা বেগম। ইকবাল এখন মাদক সম্রাট হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিজের গাড়িতে মাদক বহন করে কোটিপতি বনেযাওয়ার যে ঘটনার জন্ম দিয়েছে সেটির তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তিনি। ইকবালের ভয়ংকর সব পরিকল্পনা থেকে রেহাই পেতে কিছুদিন ধরে দুইটি সন্তান নিয়ে অন্যজায়গায় থাকেন লাইলা বেগম। ইকবালের যে কোন অনিয়ম প্রকাশ্যে সাপোর্ট করার বিষয় নিয়ে চেয়ারম্যান কেই দায়ি করেন লাইলা বেগম। একজন গাড়ির চালক রাতা রাতি কোটি পতি বনে যাওয়ার গল্প যেন অনেক কাহীনিকেই থামিয়ে দেয়। সেই জেলাপরিষদে চাকরি দেওয়ার নামকরে টাকা পয়সা উৎকোচ নেওয়ার অভিযোগ উঠে এই ইকবালের নামে সেটি নিয়ে বিচার শালিস ও হয় তখনো চেয়ারম্যান কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেন নাই অজ্ঞাত কারনে। এই ইকবাল সহ তার পেছনে থাকা অপশক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করেন লাইলা বেগম।