রাউজানে মাঠজুড়ে হাসছে সূর্যমুখী,ফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত দর্শনার্থী

0
63

এম বেলাল উদ্দিন, রাউজান প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন কৃষকেরা। রাউজান উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় রাউজান পৌরসভার দলিলাবাদ, ডাবুয়া ইউনিয়নের উত্তর হিংগলা আরবনগর, নিরিয়ারটেক, নোয়াজিষপুর ইউনিয়নের নাদিমপুর, ৭নং রাউজান সদর ইউনিয়নের কেউটিয়া, কদলপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে, হলদিয়া ইউনিয়নের জানিপাথর, পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন ও পাহাড়তলী ইউনিয়ন সহ ১৫টি স্থানে সূর্যমুখী ফুলের চাষ আবাদ শুরু করেছেন কৃষকেরা। এসব সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখলে দূর থেকেই মনে হবে এক বিশাল হলুদ রঙের গালিচা বিছিয়ে দিয়েছে। কাছে গেলে চোখে পড়ে হাজার হাজার সূর্যমুখী ফুল চাষে আশার হলুদ ফুলের সৌরভ ছড়াচ্ছে। গাছে গাছে ফুটেছে ফুল। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের দৃশ্যটি দেখতে ছুটে আসে দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সূর্যমুখী বাগানে প্রতিদিন তরুণ-তরুণী ও নানা বয়সী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে হলুদে ফুলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে ছবি তুলার প্রতিযোগিতায়। বাগানে আসা দর্শনার্থীরা সূর্যমুখী ফুলের হাসির ঝিলিকের সাথে মেতে উঠে ছবি তোলাতে। এসব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা বারছে বাগানগুলোতে। রাউজান পৌর ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদ হোসেন জানায়, আমাদের গ্রামে এত সুন্দর সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখে আমি মুগ্ধ। সূর্যমুখী ফুলের এমন সৌন্দর্য আগে আমি দেখিনি। যদি আগে জানতাম তাহলে আমিও কয়েক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করতাম।
কৃষক ওসমান ও মোহাম্মদ হাশেম বলেন, এর আগে তাদের জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ করতেন। এ বছর কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। কৃষি অফিস বিনামূল্যে বীজ ও সার দিয়েছে। রাউজান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাব্বির আহম্মেদ বলেন, সূর্যমুখী চাষে নেই কোনো ঝুঁকি। তাই এ বছর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ৩ হেক্টর জমিতে কৃষকেরা হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সূর্যমুখী চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেয়া হয়েছে। আশা করি ফলনও ভালো হবে। আগামীতে আরো বেশি জমিতে সূর্যমুখীর চাষ আবাদ হবে বলে জানান তিনি।