রাউজানে বৃষ্টিতে স্বস্তি! ধুলো বালির দূভোর্গ থেকে রক্ষা হাজারো মানুষের

0
232

এম বেলাল উদ্দিন, রাউজান
প্রবাদ রয়েছে চৈত্রর খড়া রৌদ্রে কচু গাছ পর্যন্ত মরে গিয়ে আঙ্গার হয়ে যায়। সেখানে তার উল্টো পথে চলছে আবহাওয়া। মঙ্গলবার ঠিক বেলা ১টা ৪০ মিনিট, আকাশ চতুর্দিক থেকে মেঘলা হয়ে ঝড়তে থাকে বৃষ্টি। হঠাৎ বৃষ্টি ১০মিনিট স্থায়ী ছিল মাত্র। শুরু হয় ঠান্ডা বাতাস। গত বর্ষার পর থেকে প্রতিটি গ্রামীণ সড়ক গুলো ধুলো বালুতেই মানুষের চলাচল ছিল কষ্টদায়ক।

ধুলো বালির কারনে চোখ মুখ থকতো অন্ধকার। প্রতিটি সড়কে নিয়মের বাহিরে অতিরিক্ত ধুলো বালুর কারনে যাত্রী সাধারন থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা, মক্তব, কেজি সহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষের দুর্ভোগ ছিল চোখে পড়ার মত। প্রতিটি গাড়ির পিছনে ধুলো বালি খেয়ে খেয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থিরা আসা যাওয়া করত নিজ নিজ বিদ্যাপিঠে। বিশেষ করে জীপ, ট্রাক, অটোরিক্সার অত্যাচারে নির্বিকার ছিল অসহায় মানুষ। ধুলো বালিতে শিশুদের সমস্ত শরীর এক প্রকার সাদা হয়ে যেত। এ করুন চিত্রটি দেখা যেত রাউজান হলদিয়া ভিলেজ সড়কে।

সড়কের পাশ প্রশস্ত করণের মাটিগুলো গাড়ির চাপে ধুলোয় পরিনত হয়ে অতি গাড়ি চলার কারনে আকাশে বাতাসে উড়তো বালি গুলি। আর এতে সড়কের চলাচলকৃত সকল শ্রেণী পেশার মানুষ একেধারে দুর্ভোগে পড়েছিলেন কয়েক মাস যাবৎ। মঙ্গলবারের কয়েক মিনিটির হালকা বৃষ্টি হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস পেলেছে সড়কে চলাচলকারী সহ যাত্রী সাধারন। কয়েকজন যাত্রী জানালেন কয়েক মিনিটের বৃষ্টিটি আমাদের জন্য আল্লাহর রহমত ও নেয়ামত। কারন বৃষ্টির কারনে ধুলো বালি গুলি আপাতথ মাটির সাথে বসে গেছে, আকাশে আর উড়ছেনা।
উল্লেখ্য, সড়কে যাতায়াতকারী জনসাধারন ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে আল্লাহর দরবারে বৃষ্টির জন্য ফরিয়াদও করেছে বলে জানান স্থানীয় অনেকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে