রংপুর বিভাগে করোনার টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়েছে তিনগুণ

0
78

রংপুর, ১৫ ফেব্রুয়ারি – করোনার টিকা নিয়ে ভয় কেটে গেছে সারাদেশের মতো রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতেও। তবে এখনও পিছিয়ে আছে লালমনিরহাট জেলা। দিনাজপুর জেলায় এখন পর্যন্ত টিকাগ্রহণকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

করোনার টিকাদানের পঞ্চম দিন বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ৮ উপজেলায় টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা তিনগুণ বেড়েছে। সকাল থেকে লাইন দাঁড়িয়ে টিকা নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছেন লোকজন। প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে নগরীতে আরও একটি টিকাদান কেন্দ্র খেলা হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবার রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ১৯ হাজার ৩শ’৮০ জন টিকা নিয়েছে।

এ নিয়ে গত ৫ দিনে রংপুর বিভাগে টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৫৬ জন। রংপুর বিভাগের প্রতিটি জেলায় করোনার টিকা নেওয়ার সংখ্যা শুরুর তুলনায় ৩/৪ গুণ বেড়েছে। রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. আহাদ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন : ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় প্রথম নারী মেয়র হলেন বন্যা

বৃহস্পতিবার রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে দিনাজপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি ৪ হাজার ২শ’৩৯ জন, এরপরেই রয়েছে রংপুর জেলা। এখানে টিকা নিয়েছেন ৩ হাজার ৩শ’৬৩ জন। টিকা দেওয়া হয়েছে পঞ্চগড় জেলায় ২ হাজার ১শ’১৮ জনকে, নীলফামারীতে ২ হাজার ৬শ’৯০ জনকে, লালমনিরহাটে ১ হাজার ৪০৯ জনকে, কুড়িগ্রাম জেলায় ১ হাজার ৫০৬ জনকে , ঠাকুরগাঁওয়ে ২ হাজার ২৭০ জনকে এবং গাইবান্ধায় ১ হাজার ৭৮৫জনকে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ও বিজিপির অনেক সদস্য চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ টিকা দেওয়ার জন্য ভিড় করেছেন। ফলে টিকাদানকারী স্বাস্থ্য কর্মীদের হিমশিম খেতে হয়। তারপরেও মানুষ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে টিকা দিয়েছে। এছাড়া টিকা গ্রহণকারী কাউকেই অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। বরং টিকা নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করে সকলকে টিকা দেওয়ার আহ্বান জানান টিকাদানকারীরা।

এ ব্যাপারে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক ডা. আহাদ আলী জানান, রংপুর বিভাগের দুই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে দুই শতাধিক বুথের মাধ্যমে করোনায় টিকা নিচ্ছেন সকল স্তরের নারী-পুরুষ। টিকা নেওয়ার পর কেউই অসুস্থ হয়েছেন এমন কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
এন এইচ, ১৫ ফেব্রুয়ারি

Source link