যুবলীগের যুগান্তকারী আশ্রয় কর্মসূচি চলমান থাকবে: শেখ পরশ

76


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, যুবলীগ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক সংগঠন অসহায়, ভূমিহীন, গৃহহীন মানুষের জন্য ব্যক্তিগতভাবে ঘর তৈরি করে দেয়নি। যুবলীগ নেতাকর্মীরা এই মহৎ কাজটি করেছেন। এজন্য আমি যুবলীগের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা দেশের প্রতিটি জেলায় আমাদের সাধ্যমত আশ্রয়হীনদের ঘর দিবো। যুবলীগের যুগান্তকারী আশ্রয় কর্মসূচি চলমান থাকবে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। সভাপতিত্ব করেন-ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবার শ্রদ্ধা-ভালবাসা জয় করে নিয়েছেন। আমি খুব কাছে থেকে দেখেছি একটা কর্মী মারা গেলে নেত্রী কিভাবে মর্মাহত হয়েছেন। সে কারণেই তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী। অসাধারণ সাহসিকতার অধিকারী আমাদের নেত্রী। আমি কখনও তাকে অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করতে দেখিনি।

শেখ পরশ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক জীবন থেকে আমরা শিখতে পাই কর্মীদের সঙ্গে সবসময় সৎ ব্যবহার করতে হবে। কর্মীদের দুরে সরিয়ে রাখা চলবে না, মনে রাখবেন সবার আগে কর্মীরাই বুকে গুলি ধারণ করে। কর্মীরা আছে বলেই আমরা নেতা। আমি দীর্ঘদিন প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে ছিলাম। তিনি কখনোই কারও প্রতি কটু কথা বলেন নি।

তিনি বলেন, আমরা যদি আমাদের রাজনীতিতে সংস্কৃতির পরিবর্তন আনতে চাই, আমরা যদি সংস্কার রাখতে চাই তাহলে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। নীতি আদর্শের ক্ষেত্রে আপস করা যাবে না। একটি আদর্শ দিয়েই রাজনীতি করতে হবে, বুঝতে হবে আমার আদর্শটা কি।

তিনি আরও বলেন, সর্বপরি প্রধানমন্ত্রীর জীবন থেকে আমরা যে শিক্ষা পাই সেটা হলো দেশকে ভালবাসার শিক্ষা। নেত্রী আমাদেরকে শিখিয়েছেন দেশকে কিভাবে ভালবাসা যায়। দেশপ্রেম ছাড়া কখনই একটা মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশ যে মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে তা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দেশপ্রেমের জন্য।

শেখ পরশ বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের মানচিত্র দিয়েছেন, নেত্রী দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি। তিনি আমাদের জাতিগতভাবে সম্মান দিয়েছেন। দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, যুবসমাজ নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারব না। সর্বশেষ বলতে চাই সাফল্যের কোনো সহজ পথ নেই। খুব তাড়াতাড়ি উপরে ওঠার চেষ্টা করলে ধপাস করে নিচে পড়ে যাবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, আমার নেত্রী বাংলার দুঃখী মানুষের নেত্রী, বাংলার কামার-কুমারের নেত্রী, বাংলার জেলে, বাংলার কৃষক, বাংলার যুবক, বাংলার ছাত্র সমাজের নেত্রী। যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে, যার নেতৃত্বে আমরা বাঙালি জাতি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি সেই প্রিয় নেত্রীর জন্মদিনে মহান আল্লাহর কাছে তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

তিনি বলেন, আজকে শপথ গ্রহণ করে বলতে চাই বাংলার যুবসমাজকে কোনোদিন দাবিয়ে রাখতে পারেন নি। বাংলার যুবসমাজ আমার প্রিয় নেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার পাশে থেকে বিএনপি-জামাতের সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. এনামুল হক খান, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, মোঃ জসিম মাতুব্বর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল, মোঃ রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জহির উদ্দিন খসরু, মোঃ সোহেল, আবু মুনির মোঃ শহিদুল হক রাসেল, মশিউর রহমান চপল, এ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহগ, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী সারোয়ার হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন পাভেল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মীর মোঃ মহিউদ্দিন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবদুল হাই, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুক্তা আক্তার, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সফেদ আশফাক আকন্দ তুহিন, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী স্মরণ, উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান জীবন, উপ-কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানা, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হরে কৃষ্ণ বৈদ্য, সহ-সম্পাদক আবির মাহমুদ ইমরান, গোলাম ফেরদৌস ইব্রাহিম, মোঃ আব্দুর রহমান জীবন, মোঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ আলমগীর হোসেন শাহ জয়, মোঃ কামরুল হাসান লিংকন, মোঃ বাবলুর রহমান বাবলু, এ কে এম মুক্তাদির রহমান শিমুল, মোঃ মনিরুজ্জামান পিন্টু, মোঃ মনিরুল ইসলাম আকাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, এ্যাড. মোঃ গোলাম কিবরিয়া, প্রফেসর ড. মোঃ আরশেদ আলী আশিক, শাম্মি খান, রাজু আহমেদ ভিপি মিরান, ইঞ্জি. আবু সাইদ মোঃ হিরো, মোঃ মুজিবুর রহমান মুজিব, এ বি এম আরিফ হোসেন, মোঃ অলিদ হোসেন, ডাঃ মোঃ আওরঙ্গজেব, এড. শেখ মোঃ তরিকুল ইসলাম, এড. মোঃ সাজেদুর রহমান চৌধুরী বিপ্লব, মোঃ আসাদুজ্জামান সুমন, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি আহম্মদ উল্লাহ মধু, সোহরাব হোসেন স্বপন, সারোয়ার হোসেন মনা, নাজমুল হোসেন টুটুল, মোঃ কামাল উদ্দিন খান, আবু সাঈদ মোল্লা, দ্বীন মোহাম্মদ খোকা, সৈয়দ আহমেদ, মাহবুবুর রহমান পলাশ, যুগ্ম-সম্পাদক জাফর আহমেদ রানা, মোঃ ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল, গাজী সারোয়ার হোসেন বাবু, মোঃ মাকসুদুর রহমান, কাজী ইব্রাহিম খলিল মারুফ, প্রচার সম্পাদক এরমান হক বাবু, দপ্তর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, অর্থ সম্পাদক ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ সায়মন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শাহানাজ পারভীন হীরা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশিকুর রহমান নাদিম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক গোফরান গাজী, সমবায় সম্পাদক বোরহান উদ্দিন চৌধুরী টোটন, উপ-প্রচার সম্পাদক সুজা উদ্দিন আহমেদ হারুন, উপ-দপ্তর খন্দকার আরিফ-উজ-জামান, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেনসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতারা।

সারাবাংলা/এসএসএ





Source link