‘যখনই যুদ্ধ শুরু হবে, তখনই তারা ঝাঁপিয়ে পড়বে’

89


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সরকারকে ‘পরাজিত করার যুদ্ধ’ যখনই শুরু হবে তখনই বিএনপির নেতাকর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘আমার বয়স হয়েছে। তারপরও আমি খুব আশাবাদী মানুষ। গত তিনদিন আমার জেলাতে (ঠাকুরগাঁও) আমি পাঁচটি উপজেলায় সফর করেছি। আমি দেখেছি মানুষের মধ্যে কী অভূতপূর্ব সাড়া। মানুষ সব দাঁড়িয়ে আছে, নিজের শক্তি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যখনই শুরু হবে সরকারকে পরাজিত করার যুদ্ধ, তখনই তারা ঝাঁপিয়ে পড়বে— এই নিশ্চয়তা আমি পেয়েছি।’

২০১১ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী নিয়োগ পাওয়া ১০১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরিচ্যুতির দশ বছরপূর্তি দিবস উপলক্ষে ‘চাকরিচ্যুতিদের মানবেতর জীবনযাপন’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কখনোই ভেঙে পড়বেন না। খারাপ অবস্থার মধ্যে থেকে আমাদেরকে উঠে আসতে হবে। আমাকে জেগে উঠতে হবে, আমার আশপাশের মানুষগুলোকে জাগাতে হবে। তরুণদের জাগাতে হবে। এ যুদ্ধে জয়লাভ করতে হবে, অতি দ্রুত করতে হবে। যতদিন যাবে ততই সব বিনষ্টের পথে যাবে।’

‘আমাদের মনে রাখতে হবে, যারা আজকে আমাদেরকে নিষ্পেষণ করছে, নির্যাতন করছে তাদেরকে যদি প্রতিরোধ করতে না পারি, ব্যর্থ করে দিতে না পারি, পরাজিত করতে না পারি তাহলে এই অবস্থা চলতেই থাকবে। আমাদের কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। সেজন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ঐক্য গড়ে তোলা’— বলেন মির্জা ফখরুল।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি একাত্মতা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নয়, অন্যান্য দফতরগুলোতে, অন্যান্য বিভাগসহ বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশকে ভালোবাসা মানুষগুলো চাকরিচ্যুত হয়েছে। তারা মনের বল ফিরে পাবে, তারা শক্তি ফিরে পাবে এবং এই আশ্বাস যে, বিএনপি যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব জনগণের মাধ্যমে আবার পায় তাহলে তাদের সমস্ত সমস্যা সমাধান হবে সম্মানের সঙ্গে।’

ড. ফারুক আহমেদ শিপনের সভাপতিত্বে ও এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বকক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েম্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরিচ্যুত আতাউর রহমান, মজিবুর রহমান, আজিজুল হক, উর্মি রহমান, নুরুন্নাহার লাকী, ইয়াকুব মিয়া, আমির হোসেন, মিয়া হোসেন রানা, রবিউল ইসলাম রবি, আবদুল হালিম, আবু হানিফ খন্দকার, মামুনুর রহমান, আশরাফুল আলম, আকরাম হোসেন প্রমুখ।

সারাবাংলা/এজেড/একে





Source link