মেয়েদের একান্ত কিছু কথা

0
2006

বালিকা থেকে কিশোরী হয়ে ওঠা, কিশোরী থেকে যুবতী, এ সময়টা কেমন তরতর করে চলে যায়। চঞ্চলতা, লাজুকতা, নিজেকে গুটিয়ে নেয়া বিভিন্ন রকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কাজ করে একেকজনের। এর মধ্যে আসে বয়ঃসন্ধিকাল। মায়েদের উচিত মেয়েদের সাথে খোলাখুলি কথা বলা। পিরিয়ড নিয়ে, স্বাস্থ্যগত জটিলতা নিয়ে একান্ত ব্যক্তিগত কিছু কথা আসুন জেনে নিই।

১) পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে প্যাড সর্বোচ্চ কতক্ষন রাখা যাবে? অনেকেই আছে সকালে বের হয়ে এক প্যাড পরিধানে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাটিয়ে দেয়। এটা বড্ড ক্ষতিকর। ৬ ঘণ্টার বেশি প্যাড রাখা যায়না। আর সূঘ্রান যুক্ত প্যাড, সাবান কোন কিছু ব্যাবহার করা উচিত নয় ভ্যাজাইনাল অংশটাতে।
২) কখনো ভ্যাজাইনাল অংশে জ্বালা-পোড়া, চুলকানি বা দুর্গন্ধযুক্ত ছানা-ছানা লিকুরিয়া দেখা গেলে অনেকেই ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে গরম পানি আর লবন ব্যবহার করে থাকেন। যদি খেয়াল করেন উপসর্গ গুলো বার-বার দেখা যাচ্ছে তাহলে অবশ্যই গাইনীর পরামর্শ নিন। ইষ্ট, জেনেটিয়াল হারপিস এসব ব্যাকটেরিয়া অনেক সময় অবহেলার কারনেও জন্ম নেয়।

৩) যাদের এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় তারা চেষ্টা করবেন নখ ছোট করে রাখতে এবং অন্তর্বাস সুতির নির্বাচন করবেন। ভাল করে ধুয়ে রোদে শুকাবেন।

৪) ঘরে পাতা টক দই, লেবু খাওয়ার চেষ্টা করবেন। ইউটিউব দেখে কোন টোটকা, ব্যক্তিগত অংশে ব্যবহার করবেন না।

৫) সাবান বা লিকুইড সোপ ভ্যাজাইনার ভাল ব্যাকটেরিয়া গুলো মেরে ফেলে। প্রকৃতিগত ভাবেই কিছু ভাল ব্যাকটেরিয়া থাকে ভ্যাজাইনাতে। তাই কেমিক্যাল ব্যাবহার করে এইগুলা নষ্ট করাটা বোকামি ছাড়া কিছুই না।

৬) রাতে শোবার সময় সব অন্তর্বাস ছেড়ে ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করা উচিত।
আমরা মেয়েরা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে বেশি ভাবি। সব সময় মনে রাখতে হবে ভিতরকার স্বাস্থ্য ঠিক থাকলেই আপনি মানসিক ভাবে প্রফুল্ল থাকবেন। মাঝে মাঝে স্বার্থপর হোন, না বলতে শিখুন। যত নিজেকে উজাড় করে বিশ্রামহীন পরিশ্রম করবেন তত ভারাক্রান্ত হয়ে পড়বেন। নিজের যত্ন নিন। কে আপনাকে নিয়ে কি বললো, মোটা বললো নাকি চিকন বললো সেই দিকে আমল না দিয়ে যেমন আছেন তাতেই মনোবল থাকুন। পরিপাটি থাকুন সবসময়। মনে রাখবেন আপনি নিজে ভাল থাকবেন তো সবাইকে ভাল রাখতে পারবেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে