মুসল্লিদের ঢল নেমেছে টঙ্গীর তুরাগপাড়ে

0
303

শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করেই গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগপাড়ে নেমেছে মুসল্লিদের ঢল। ইজতেমা ময়দান মুখরিত হয়েছে মানুষের পদচারণায়। আগামীকাল শুক্রবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। তার আগে আজ বৃহস্পতিবার দেখা গেছে এই চিত্র।

ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশ নেবেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা। জানা গেছে তাদের অধিকাংশই ইতিমধ্যে মাঠে প্রবেশ করেছেন।

দ্বিতীয় পর্বে ইজতেমায় অংশ নেবেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীগণ।

গত ২৮ অক্টোবর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ইজতেমা পালন করবেন ১০ থেকে ১২ জানুয়ারি। আর সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ইজতেমা করবেন ১৭ থেকে ১৯ জানুয়ারি।

গতকাল বুধবার থেকে ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের ভিড় জমলেও আজ তা বেড়েছে ব্যাপক আকারে। ভোর থেকে জনঢলে ময়দানের অনেকখানি ভরে গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের কাঁধে, হাতে একাধিক ব্যাগ দেখা গেছে।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসংলগ্ন বিভিন্ন ফটক দিয়ে মাঠে প্রবেশ করছেন মুসল্লিরা। ইজতেমা ময়দানে এলাকাভিত্তিক ভাগ রয়েছে। মুসল্লিরা সেখানেই নিজেদের জায়গা নির্ধারণ করবেন।

পুরো ইজতেমা ময়দানকে ঘিরে ৪৫০ সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে এবার। র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নিযুক্ত থাকবেন মুসল্লিদের নিরাপত্তায়। সাদা পোশাকে থাকবে পুলিশও। জেলা প্রশাসনের ৩০টির মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রস্তুত থাকবেন। মাঠে নিয়োজিত থাকবে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল।

৩১টি ভবনে ৮ হাজার ৩৩১টি শৌচাগার রয়েছে মুসল্লিদের ব্যবহারের জন্য। ১৭টি গভীর নলকূপ, তিনটি গ্রিড থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, ৪টি শক্তিশালী জেনারেটর রয়েছে এবারের ইজতেমা ময়দানে।

মুসল্লিদের পারাপারের জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক ভাসমান সাতটি সেতু প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো ইজতেমাকে ৯১টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ জেলার লোকজন খিত্তা অনুসারে বসবেন।

মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ১০টি বিশেষ ট্রেন চালু করা হবে এবং সব ট্রেন টঙ্গী রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি দেওয়ার কথা রয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে