‘মানবজমিন’ সম্পাদক ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশ ন্যাপ’র

0
253

যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত ঘটনায় একটি সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে দৈনিক ‘মানবজমিন’-এর সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও পত্রিকাটির প্রতিবেদক আল-আমিনেরসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে দায়ের করা মামলায় গভীর উদ্বেগ-উৎকন্ঠা প্রকাশ ও তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়ে এই মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ দাবি জানান।

তারা বলেন, যে সংবাদের ভিত্তিতে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে সেই সংবাদে সাইফুজ্জামান শিখরের নাম উল্লেখ করা হয়নি এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তাঁর সঙ্গে কোনো যোগসূত্রের বিষয় সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। ওই সংবাদে কোনো অংশেই নাম বা সংশ্লিষ্ট কোনো যোগসূত্রের কথা উল্লেখ না থাকার পরও কেন সাংসদ সাইফুজ্জামান শিখর সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন, তা কারোই বোধগম্য নয়। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কোনো অজ্ঞাত ব্যবহারকারী যদি কিছু করে থাকেন, তবে তার দায় কোনোভাবেই দৈনিক ‘মানবজমিন’-এর সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও এর প্রতিবেদকদের ওপর বর্তাতে পারে না।

নেতৃদ্বয় বলেন, মানহানির মামলা ফৌজদারি কার্যবিধি থেকে বাদ দেওয়া উচিত বাংলাদেশের এবং আইনটি পর্যালোচনা করে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করা প্রয়োজন।
তারা বলেন, একজন স্বনামধন্য সম্পাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করে এবং সাংবাদিকেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে বাধ্য।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, অন্য দিকে এ মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আলোকচিত্র সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে থানায় জিডি করেছে তার পরিবার। যা অত্যান্ত উদ্বেজনক। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার স্বার্থেই সরকার দৈনিক ‘মানবজমিন’ সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহারে এবং সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে দ্রুত খুঁজে বের করে পরিবারের নিকট ফিরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে