ভ্যাকসিন নিতে তাইওয়ানকে চীনের আহ্বান, তাইপের ‘না’

33


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে তাইওয়ানকে নিজেদের তৈরি সিনোভ্যাক ও সিনোফার্ম ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চীন। তবে তাইওয়ান চীনের এ ডাকে সাড়া দেয়নি।

শুক্রবার বেইজিংয়ের তরফ থেকে বলা হয়, চীনের অত্যন্ত কার্যকর ভ্যাকসিনগুলো গ্রহণ করে করোনাভাইরাস থেকে নিজেদের রক্ষা করতে তাইওয়ানকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, চীন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে মনে করে থাকে। বিপরীতে তাইওয়ান একটি স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র এবং চীনের প্রভাব বলয়ের বাইরে থাকতে পছন্দ করে। তবে সম্প্রতি তাইওয়ানেও চীনের ভ্যাকসিন গ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করছেন অনেকেই। রয়টার্সের খবর।

সম্প্রতি তাইওয়ানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। দ্বীপরাষ্ট্রটির ২ কোটি ৩৫ লাখ জনসংখ্যার মাত্র তিন শতাংশ ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছেন। এমন অবস্থায় বেইজিং ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য তাইওয়ানকে আহ্বান জানালেও সাড়া দিচ্ছে না দ্বীপরাষ্ট্রটি। সম্প্রতি চীনা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেগুলো ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ।

এসব ব্যাপারে শুক্রবার চীনের তাইওয়ান বিষয়ক দফতর এক বিবৃতিতে জানায়, চীনের তৈরি দুটি ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকর ও নিরাপদ। ভ্যাকসিনগুলোকে ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দিয়েছে। বিশ্বের ৯০টি দেশে এগুলো ব্যবহার হচ্ছে। ফলে এসব ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, তাইওয়ানের জনগণ চীনের মেইনল্যান্ডে এসে এসব ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে পারে। একই বিবৃতিতে তাইওয়ান সরকারকে দ্রুত কৃত্রিম বাধা সরিয়ে তাইওয়ানিদের চীনা ভ্যাকসিন গ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, চীনে ৩১ মে পর্যন্ত ৬২ হাজার তাইওয়ানি ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য, চীনে বিপুল সংখ্যক তাইওয়ানি আগে থেকেই বসবাস করে আসছেন। মূলত চীনে থাকা তাইওয়ানিরাই এ সংখ্যার সিংহভাগ।

এদিকে জরুরি অবস্থা বিবেচনায় দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানকে সাড়ে সাত লাখ ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সারাবাংলা/আইই





Source link