ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

0
248

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস উপস্থিত ছিলেন।

ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ভোট দিয়েছি। কাউন্সিল পদে শিলু ও বাবলাকে ভোট দিয়েছি। আমি দক্ষিণের ভোটার, তাপসকে ভোট দিয়েছি। আমরা আহ্বান করবো ঢাকাবাসীকে সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়ার জন্য। ভোটের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি হবেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘উত্তরে আমাদের প্রার্থী আতিক। ইনশাল্লাহ সেও জয়যুক্ত হবে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমি ভোট দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে নির্বাচন কমিশন। প্রত্যেক ভোটার শান্তিমতো তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।’

ভোটের অধিকার জনগণের অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনগণ যেন তার পছন্দমতো ভোট দিতে পারে, সেই পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করেছি। আমরা জয়ী হয়ে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তুলবো। এ ছাড়া নানা পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করবো। সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

আজ ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৮টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবারই প্রথমবারের মতো দুই সিটির ভোটগ্রহণ ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঢাকা মহানগরীর ২ হাজার ৪৬৮টি ভোটকেন্দ্র ও ১৪ হাজার ৪৩৪টি ভোটকক্ষে নেওয়া হচ্ছে ভোট। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটিতে ১ হাজার ৩১৮টি ভোটকেন্দ্র ও ৭ হাজার ৮৫৭টি ভোটকক্ষ এবং দক্ষিণ সিটিতে ১ হাজার ১৫০টি ভোটকেন্দ্র ও ৬ হাজার ৫৮৮টি ভোটকক্ষ রয়েছে। গতকাল রাতের মধ্যেই কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ইভিএমসহ ভোটের সব সরঞ্জাম।

প্রথমবারের মতো ঢাকার দুই সিটিতে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমে নেওয়া হচ্ছে ভোট। তাই ভোটের উৎসব ও শঙ্কার মধ্যে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রধান আলোচনার বিষয় ইভিএম। দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ১৩ জন ও কাউন্সিলর প্রার্থী ৬৭৭ জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন ১৫৯ জন। মোট ভোটার ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন।

এদিকে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা। পুলিশ-র‍্যাবের পাশাপাশি মাঠে আছে বিজিবিও। সক্রিয় অবস্থানে আছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে চালানো হচ্ছে তল্লাশি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে