ভূমিদস্যু কাউছার আলীর খূটির জোর কোথায়? দখল হিন্দুদের শশ্মানভূমি, মৃতদেহ সৎকার করতে পারছে না ৭ হাজার হিন্দু

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম অফিসঃ বীরগঞ্জ উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ব্রাহ্মণভিটা, নন্দাইগাঁও ও মদাতী গ্রামের ৭ হাজার হিন্দু জনগোষ্ঠীর একমাত্র হাড়িপুকুর শশ্মানঘাটে শবদাহের সৎকার করে আসছিল,হঠাৎ করে একই এলাকার মৃত ডা. কাশেম আলীর ছেলে ভুমিদস্যু কাউসার আলী শশ্মানের জায়গা নিজের পৈত্রিক সম্প্রর্ত্তি দাবী করে রাঁতের আধাঁরে দখল করে নেয়।পরবর্তীতে শবদেহ সৎকার করতে চাইলে বিল্লু হিন্দু পরিবারের লোকজনদের কে নানারকম ভয়ভীতি দেখিয়ে উক্ত শশ্মানঘাটে মাছ চাষ করছেন। এ ব্যাপারে গ্রামের ধনঞ্জয় বর্মন শত শত মানুষের সাক্ষর নিয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন।

স্থানীয় চিলা বর্মনের ছেলে ধোলা বর্মন বলেন, ২০০৭ সালে তার মায়ের সৎ কার্য করার জন্য উক্ত শ্মশান ঘাটে গেলে ভূমিদস্যু কাওসার আলী বিল্লু বাঁধা প্রদান করে জমি জবর দখল করে পুকুর খনন পূর্বক মাছ চাষ করছেন। বিলন্দ বর্মন,শ্রী হরে বর্মন,রতন, সুজন রায়,পলাশ একই অভিযোগ করেন।

!-- Composite Start -->
Loading...

পলাশবাড়ী ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের আহ্বয়ক গৌতম চন্দ্র রায় জানান, উক্ত শশ্মান ঘাটের জমিতে ভূমি দস্যু বিল্লু রাতের আধারে দল বল নিয়ে দখল করে মৎস্য চাষ করে আসছেন।

এতে করে এলাকার ৭ হাজার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক জন নিরুপায় হয়ে পড়েছেন,বর্ষা মৌসুমে নদী ভরাট হলে শবদাহ নিয়ে চরম সমাস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে কাউসার আলী বিল্লুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,তার মরহুম পিতা ১৯৬৭ সালে জমিদারের কাছে কবলা মূল্যে সূত্রে ক্রয় করেন। কিন্তু হিন্দু সম্প্রাদায়ের শশ্মানঘাট না থাকায় তাদের জমিতে সমাধি করতেন।তার পিতার পৈতৃক সম্পত্তি হিসাবে তিনি দাবি করতেই পারেন।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)কর্মকর্তা মোঃ সোয়াইব এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জমিটির দলিলপত্র তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মতামত দিন

Post Author: newsdesk

A thousand enemies is not enough; a single enemy is. There is nothing as a ‘harmless’ enemy.