ব্যাংকের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ঢাকায় বিলাসবহুল বাড়ি

171


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বিভিন্ন ব্যাংক থেকে কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী হোসাইন হায়দার আলী। সেই টাকা পরিশোধ না করে চট্টগ্রাম ছেড়ে ঢাকায় যান তিনি। ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বিলাসবহুল বাড়ি বানিয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে শেষপর্যন্ত নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি এই ব্যবসায়ী।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানা পুলিশ

গ্রেফতার হোসাইন হায়দার আলী (৫০) চট্টগ্রাম নগরীর এনায়েত বাজার জুবিলী রোডের মেসার্স জুবলী ট্রেডার্সের মালিক। বাসা ছিল নগরীর কোতোয়ালী থানার লাভ লেইনের আবেদিন কলোনিতে।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন সারাবাংলাকে বলেন, ‘যমুনা ব্যাংকসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাত করেন হায়দার আলী। ঋণ পরিশোধ না করায় আদালতে বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে অন্তঃত ১০টি মামলা হয়। এসব মামলায় কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০০ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। আসামি পলাতক থাকায় এবং তার ঠিকানা কোতোয়ালী থানাধীন হওয়ায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা আসে আমাদের থানায়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে নেই হায়দার আলী।’

‘আমরা তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য খুঁজছিলাম। একপর্যায়ে আমরা ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় হায়দার ও তার পরিবারের অবস্থান শনাক্ত করি। সেখান থেকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছি- তিনি ঋণের টাকা আত্মসাতের জন্য চট্টগ্রাম থেকে ১০ বছর আগে ঢাকায় গিয়ে আত্মগোপন করেন। সেখানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বিলাসবহুল বাড়ি বানিয়ে দিব্যি বসবাস করে আসছিলেন। কোনোদিন আদালতে হাজিরাও দেননি। তার অনুপস্থিতিতেই কমপক্ষে ১০টি মামলার বিচারকাজ শেষ হয়, বলেন ওসি নেজাম।

আসামি হোসাইন হায়দার আলীকে শনিবার আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি নেজাম উদ্দীন জানিয়েছেন।

সারাবাংলা/আরডি/এমও





Source link