বিনোদনের নামে ইসলামকে অপমান, সাংবাদিক রাজিব শর্মাসহ বিভিন্ন সম্মানী ব্যক্তিবর্গদের নিন্দার ঝড় ও শাস্তির দাবি

বিনোদন ডেস্কঃ বিনোদন মানেই হলো হাসি, দুঃখ, কষ্টের প্রামাণ্য চিত্র তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করা। বিনোদন মানে নই যে কোন ধর্ম বা সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি, প্রথা, নিজস্ব ব্যক্তি স্বাধীনতাকে আঘাত করা। সাম্প্রতিক কিছু কুচক্রীমহল বিনোদনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ইসলামের মূলতত্ব না জেনে ভ্রান্ত, মিথ্যা সাজানো অভিনয়, নাটক ভিডিও আকারে প্রকাশ করে শুধু ইসলাম ধর্মানুভূতিতে আঘাত করছে না, সারাবিশ্বের মানুষদের মাঝে বিষবাস্প ছড়াচ্ছেন বলে দাবী করেন লেখক ও সাংবাদিক রাজিব শর্মা। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিষ্টান ও মুসলমান সম্প্রদায় মিলেমিশে যতেষ্ট শান্তিতে আছেন। বাংলাদেশে একের অনুষ্টানে অন্যজন উপস্থিত থাকেন। যার যার ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্থান-ভারতের মত বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িকতার বিষভাস্প ছড়ান না। অন্তত তাদের চেয়ে বাংলাদেশ অনেকটা প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ দেশ। যদি তা মিথ্যে হয় বাংলাদেশে হাজার হাজার পূজা-পার্বন হয়। যার নিরাপত্তা দেন মুসলিমরা। এসব বিনোদনের মাধ্যমে নোংরামি করছে তাদের কেউ ভালোবাসেন না এবং তারা নিন্দার যোগ্য। তাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছু বলার নেই।

ইদানিং সিলেটী নাটক বা কৌতুকে ইসলামী পোষাক পাঞ্জাবী, টুপি, ও বোরখা পরে নষ্টামী শুরু করেছে কিছু নাট্যকর্মী। এমনকি নকল দাড়ি লাগিয়ে তারা নাটকে নানা অশ্লিল কাজ করছে। এনিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সুশিল সমাজ মনে করেন শাহজালালের মাটি সিলেটে এরকম পোষাক পরিধান করে নাটক তৈরীর নামে মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কলুষিত করা হচ্ছে।

অবিলম্বে এসকল নাটক তৈরীর সাথে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহবান জানান তারা। অন্যথায় এরকম নাটক মঞ্চস্থকারীদের বিরুদ্ধে সিলেটবাসী জেগে উঠবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্য ফেসবুকে এনিয়ে ইতোমধ্যে ঝড় উঠেছে। নাটকের বিভিন্ন ভঙ্গির ছবি পোস্ট করে সুশিল সমাজ প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

ইকবাল হাসান জাহিদ একটি ছবি আপলোড দিয়ে লেখেন- এই পাঞ্জাবী পরিহিত লোকটা কোনো হুজুর বা মৌলভী নয়। শাহজালালের পূণ্যভূমিতে লুচ্চাচরিত্রের এই লোক অবাধে অপসংস্কৃতির বিষবাষ্প ছাড়াচ্ছে।

উনি পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট একটা জনগোষ্ঠীকে কলুষিত করার জন্য পাঞ্জাবী টুপি পরে দাড়ি লাগিয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিতে নাটক করে যাচ্ছেন।

সিলেটী নাটকের নামে এই বদমাইশ লোকটা সিলেটের ইজ্জত নষ্ট করছে।
একদিকে সিলেটীদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নষ্ট করছে, নোংরা ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিতে নাটকের নামে শেখাচ্ছে যৌনতা, নষ্ট করছে তরুণ ও কিশোর সমাজ। অন্যদিকে সিলেটীদের সামাজিক উন্নত রুচির পরিচয়কে মেশাচ্ছে ধুলোয়।

বিশেষত পাঞ্জাবী টুপি পরে মুখে দাড়ি রেখে নারীদের সাথে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, গানবাজনা, ড্যান্স সহ সকল প্রকার অপসংস্কৃতির বিষবাষ্প ছড়িয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। কিন্তু কেউ তার ধারাবাহিক বদমায়েশী চরিত্রের ব্যাপারে মুখ খুলতে দেখছি না।

বিষয়টা নিয়ে ভাবুন। সিলেটের যুব সমাজ ও তরুণ আলেম সমাজ এই বিষয়ে সোচ্চার হোন। একদিকে সিলেটের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অন্যদিকে শাহজালালালের পূণ্যভূমীর পবিত্রতা রক্ষা করা সকল মুমিনের দায়িত্ব।

Mufty Luthfur Rahman Qasimy ১.মেয়র সহ সকল দায়ীত্বশীলদের কাছে প্রতিবাদ জানানো উচিত ।২.সকল ইমামদের জুমার খুতবায় এই ব্যপারে জনগনের সচেতন করে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো উচিত ।
৩.সোশাল মিডিয়ায় এই সব চ্যানেলের পরিচিতি তুলে তার সাব্সক্রাইভ না করার আহবান এবং বয়কট করার পারামর্শ জানানো উচিত ।

Ashraf Ali Sumon নষ্টামির প্রথম পদক্ষেপেই তাদের রুখতে হবে। তাই ভালো হয়

Kamran Uddin Rayhan এঁদের ভাঁড়ামি সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে. এদেরকে এখনই প্রতিহত করা দরকার. নাটকের নামে অশ্লীল সিরিয়াল নির্মাণ করে যুব সমাজের চরিতের বারোটা বাজাচ্ছে।

মতামত দিন

Post Author: newsdesk

A thousand enemies is not enough; a single enemy is. There is nothing as a ‘harmless’ enemy.