বিনামূল্যে কৃষককে সার ও বীজ দেয়ার সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী-: কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন

0
314

দেশে আউশ ও পেঁয়াজ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণের সরকারী সিদ্ধান্তে অভিনন্দন জানিয়ে জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন বলেছে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও দূরদর্শী।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও সমন্বয়ক মো. মহসিন ভুইয়া এসব কথা বলেন।

নেতৃত্রয় বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের অভূতপূর্ব সাফল্য ধরে রাখতে কৃষককে প্রনদনা দেয়া হলে তা অবশ্যই জনগনের কল্যাণেই কাজে লাগবে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণের জন্য প্রায় ২৩ কোটি টাকার বরাদ্দ কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় সময়োপযোগী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।

তারা বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকল সরকারেরই প্রধান অগ্রাধিকার কর্মসূচি হওয়া উচিত। সে ক্ষেত্রে সরকারকে অবশ্যই কৃষি খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির মজবুত ভীত রচনা করতে হবে। এবং সরকারকে কৃষকের জন্য ন্যায্যমূল্যে সার-তেল-বীজ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করে সেচ কার্যক্রমকে সহজ ও স্বল্প-খরচে সম্পন্ন করার সুযোগ সৃষ্টি, ভূমি ও আবহাওয়া অনুযায়ী বিভিন্ন শস্যের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন, কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধিসহ কার্যকর কর্মসূচী গ্রহন করতে হবে। সাথে কৃষক যাতে তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় সে বিষয়েও সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। তাহলেই কৃষি ক্ষেত্রে দেশ সাফল্য অর্জন করবে, কৃষকের অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব হবে। কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, কৃষকদেও জন্য সরকারের প্রদত্ত প্রণোদনা যাতে সঠিকভাবে পৌছে সে বিষয়ে অবশ্যই সরকারকে সজাগ থাকতে হবে। তাহলেই আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত হবে, আবাদ এলাকা বৃদ্ধি ও ফসলগুলোর হেক্টর প্রতি ফলন বৃদ্ধি পাবে, প্রাকৃতিক কারণে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। যা সকল কিছুরই সুফলই রাষ্ট্র, সরকার ও জনগন ভোগ করবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে