‘বিএনপির ৭ মার্চ পালন রাজনীতিতে ইতিবাচক’

0
113

ডেস্ক রিপোর্ট : : ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে বিএনপি এতদিন নিষিদ্ধ করে রাখলেও, এখন থেকে এই দিবসটি পালনে বিএনপির সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক আবহ তৈরি করবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলটির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে এই মন্তব্য করেছেন।

তিনি বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ৭ মার্চ ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্ত পালনের এ প্রচেষ্টা দেশের রাজনৈতিতে অনেক ইতিবাচক বিষয়।

ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

এ সময় তিনি, বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু পরিবার সততা,মেধা ও সাহসের প্রতীক উল্লেখ করে শিশু কিশোরদের এই পরিবারের আদর্শ ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সদস্যদের এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা ও বাংলাদেশ একসূত্রে গাঁথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু সবার, তাকে মর্যাদার আসনে অভিষিক্ত করার অর্থই হচ্ছে দেশ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধকে সম্মানিত করা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, ভৌগোলিক মুক্তি পক্ষান্তরে তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি এবং  ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্তির রোল মডেল।

২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করতে হলে শেখ হাসিনার যে স্বপ্ন তা সফল করতে হলে শিশুদের যোগ্য নাগরিক হয়ে গড়ে উঠার আহ্বান জানান তিনি।

বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাই হবে নতুন প্রজন্মের রোল মডেল, অনুকরণীয় আদর্শ, তাদেরকে স্মরণ করেই এগিয়ে যেতে হবে।

দীর্ঘদিন ইতিহাসের পায়ে শেকল পরে রাখা হয়েছিল, করা হয়েছিল বিকৃত, তাই তরুণদের দেশ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

বর্তমান বিশ্বে সেরা তিনজন রাষ্ট্র প্রধানের একজন শেখ হাসিনা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন ৭৫ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যগণ কেউ গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেয়নি।

বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কেউ হাওয়া ভবন সৃষ্টি করেনি বলেও জানান তিনি।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, আনোয়ারুল আবেদিন তুহিন, সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সচিব কে এম শহীদুল্লাহ।

Print Friendly, PDF & Email

Source link