বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ বায়েজিদ বোস্তামী থানার উদ্যেগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ _মেয়র আ.জ.ম. নাছির

0
339

আয়াজ আহমাদ, চট্টগ্রাম।
লক ডাউনের চারমাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোন অভুক্ত নাই-চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেছেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সরকারী ত্রান-সাহায্য সর্বত্রই পৌঁছে যাচ্ছে। সারাদেশে জনপ্রতিনিধিদের তালিকা করে মাধ্যমে দেয়া হচ্ছে এই উপহার সামগ্রী। প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন।

এছাড়া এক কোটি মানুষের মধ্যে রেশন কার্ড করা হয়েছে। ৫০ লাখ মানুষের জন্য নগদ সহায়তা কর্মসূচি চালু হয়েছে।এতে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। এই উদ্যোগ ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মেয়র বলেন, সরকারের বাইরেও জননেত্রীর নির্দেশনায় দলের অনেকেই লক্ষ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত ত্রান সামগ্রী
নিয়ে জনগণের পাশে দাড়িয়েছে। আমিও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিদিন মোবাইল এসএমএস ও সরাসরি ভোগ্যপন্য বিতরণ অব্যাহত রেখেছি।

আর ত্রাণ নিয়ে দূর্নীতিগ্রস্থদের এই আওয়ামী লীগ সরকারই গ্রেফতার করছে, সুতরাং অপপ্রচার করে
লাভ নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নেতৃত্বে আমরা এই যুদ্ধেও বিজয়ী হবো।আমাদের মানবিক সংগঠক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দলের নিবেদিত নেতারা অকাতরে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন দেখে সমাজের একটি মহল ঈর্ষানীত হয়ে নানা প্রকার অপপ্রচার ও গুজব রটাচ্ছেন। সত্যিকার অর্থে খাদ্য সংকট, খাদ্য প্রাপ্তি সংকট, এসব ভীতি যারা দেখাচ্ছে তারাই ভুল প্রমাণিত হবে।

করোনা ভাইরাসজনিত কারণে সৃষ্ট সঙ্কটে ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সততা ও দক্ষতার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ৭৫ পরবর্তী ইতিহাসে নজিরবিহীন।আজ সকালে নগরীর শেরশাহস্থ ডাঃ মাজহারুল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ বায়েজিদ বোস্তামী থানা চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত ৫শত হত দরিদ্র মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

এসময় বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ চট্টগ্রাম মহানগর আহবায়ক ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীাবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ.এইচ.এম.জিয়া
উদ্দিন, যুগ্ন আহবায়ক কে.বি.এম.শাহাজাহান, যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন আহমেদ, কাউন্সিলর শাহেদ ইকবাল বাবু,সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ, মোঃ
সালাউদ্দিন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এডভোকেট তসলিম উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, সুজিত দাশ সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। মেয়র আরো বলেন, সাম্প্রতিক
সময়ে প্রায় সকল খাতেই বাংলাদেশ অপরাপর দেশগুলির তুলনায় দ্রুত আগাচ্ছিল।

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থা,থিংকট্যাক গবেষনা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি ২০২০ সালে অন্যান্য দেশের তুলনায় সর্বাধিক হবে
বলে ভবিষ্যবাণী করেছিল। কিন্তু এই অবস্থায় আমরা কোথায় গিয়ে দাড়াবো তা অনুমান করা মুশকিল। চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পরও কোন মানুষ না খাইয়ে আছে বলে অন্তত কেউ বলতে পারবে না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে