ফুল, চকলেট ও মিষ্টিমুখে হলে উঠলেন তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা

89


তিতুমীর কলেজ করেসপন্ডেন্ট

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে দীর্ঘ ১৯ মাসের স্থবিরতা কাটিয়ে অবশেষে খুলেছে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের আককাছুর রহমান আঁখি ছাত্রাবাস ও সুফিয়া কামাল ছাত্রীনিবাস।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবাসিক শিক্ষার্থীদের ফুল, চকলেট ও মিষ্টি খাইয়ে বরণ করা হয়। এসময় হলে ফিরতে পেরে শিক্ষার্থীদেরও আনন্দমুখর দেখা গেছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু শর্তের অধীনে হলে উঠানো হয়েছে শিক্ষার্থীদের। আগে এক রুমে সাত জন করে থাকলেও এখন এক রুমে থাকবেন ৪ জন করে। অনার্স প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলমান থাকায় এদিন কেবল এসব বর্ষের শিক্ষার্থীরাই হলে উঠতে পেরেছেন।

ফুল, চকলেট ও মিষ্টিমুখে হলে উঠলেন তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা

এতদিন পর শিক্ষার্থীদের পেয়ে আবেগে আপ্লুত হন সুফিয়া কামাল হলের দায়িত্বে থাকা দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ফরিদা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, এটাই আমাদের জীবন, প্রিয় প্রাঙ্গণ। এখানে শিক্ষার্থীরা সবসময় থাকবে। এখানে আমাদের পদচারণা সবসময় থাকবে। আল্লাহর কাছে আমার হাজার শুকরিয়া আমারা আবার ফিরে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, এখন যাদের হলে উঠানো হয়েছে পরীক্ষা শেষে তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হবে এবং চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা শুরু হলে তাদের হলে উঠানো হবে।

আককাছুর রহমান আঁখি ছাত্রাবাসের এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রথমে তিতুমীর কলেজ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। হলের পরিবেশ আগের চেয়ে সুন্দর হয়েছে, অবকাঠামো ও উন্নত করা হয়েছে।

তবে এ শিক্ষার্থী জানান অনেক দিন বন্ধ থাকায় কিছু কিছু রুমে ফ্যান নেই। এসব সমস্যা সমাধানেরও দাবিও জানান তিনি।

হলে উঠতে শিক্ষার্থীদের যে তিনটি শর্ত দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো— প্রথমত, নূন্যতম এক ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারবেন। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন গ্রহণের সনদ হোস্টেল তত্ত্বাবধায়কের কাছে জমা দিয়ে হলে উঠতে হবে; দ্বিতীয়ত, অনার্স প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলমান থাকায় কেবল এসব বর্ষের শিক্ষার্থীরাই হলে উঠতে পারবেন; এবং তৃতীয়ত, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব মেনে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরাই নির্দিষ্টসংখ্যক সিটের বিপরীতে হলে অবস্থান করবেন।

সারাবাংলা/এনএসএম/টিআর





Source link