প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ একগুচ্ছ সুখবর পাচ্ছে দেশের সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, পোশাক কেনার জন্য প্রাথমিক স্তরের প্রত্যক শিক্ষার্থীকে দুই হাজার টাকা করে দেয়া হবে। এছাড়া উপবৃত্তির টাকার পরিমান দ্বিগুণ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
তবে, পোশাক কিনতে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের হাতে সরাসরি টাকা দেয়া হবে, নাকি পোষাক কিনে তা বিতরণ করা হবে সে বিষয়টি এখনো চুড়ান্ত হয়নি।
বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেড় কোটি শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে প্রতিমাসে ১০০ টাকা করে উপবৃত্তি দেয়া হয়। উপবৃত্তির টাকা যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিক ভাবে পায় সে জন্য রূপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মায়ের হাতে উপবৃত্তির টাকা তুলে দেয়া হয়। বিদ্যালয়গুলো অভিভাবক সভা করে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করে।
প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষায় উপবৃত্তি চালু করার পর সারাদেশে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বেড়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। এছাড়া উপবৃত্তির কারণে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হারও অনেক কমেছে।
তাই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে এবং ঝরে পড়ার হার আরো কমিয়ে আনার লক্ষ্যে উপবৃত্তির টাকা দ্বিগুণ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন যেখানে একজন শিক্ষার্থী প্রতিমাসে ১০০ টাকা করে উপবৃত্তি পায়, তা দ্বিগিুন করে ২০০ টাকা করা হবে। প্রাথমিকে উপবৃত্তি দিতে এখন যেখানে মোট দেড় হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হয়, সেখানে উপবৃত্তির টাকা দ্বিগুণ করা হলে প্রয়োজন হবে তিন হাজার কোটি টাকা।
প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির টাকার পরিমান খুব কম, এমন অভিযোগ করে উপবৃত্তির টাকার পরিমান বাড়ানোর জন্য অভিভাবকরা দীর্ঘদিন দাবি জানিয়ে আসছেন। এছাড়া পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি পোষাক ও খাতা, কলম ও স্কুলব্যাগসহ অন্যান্য উপকরণ কেনাকাটায় বরাদ্দ দেয়ার দাবি রয়েছে অভিভাবকদের।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, যারা স্কুলে যাবে তাদের প্রত্যেকেই উপবৃত্তির টাকা পাবে। মায়েদের হাতে উপবৃত্তির টাকা তুলে দেয়ার পর থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমেছে। অনেক বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী এখন স্কুলে আসছে বলেও জানান তিনি।

মতামত দিন

Post Author: newsdesk

A thousand enemies is not enough; a single enemy is. There is nothing as a ‘harmless’ enemy.