পালংশাকের এত গুণ!

0
472

পালংশাক উচ্চমানের পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ। যখন এটি তাজা থাকে, তখন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর থাকে। এতে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ও আয়রন আছে। তাই আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ ছাড়াও হৃদরোগ ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

পালংশাকের উপাদানগুলো ক্যানসার, বিশেষ করে ত্বকের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এবং এর ক্যারোটিনয়েডস এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রস্টেট ও ওভারিয়ান ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বার্ধক্যজনিত কোষের ডিগ্রেডেশন কমিয়ে তারুণ্য ধরে রাখে, স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা আয়রন ও ভিটামিন ‘সি’ রক্তস্বল্পতা দূর করে। পেট পরিষ্কার ও রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় কিডনিতে পাথর থাকলে তা গুঁড়ো করতে সাহায্য করে। শরীর ঠাণ্ডা ও স্নিগ্ধ রাখে। পালংপাতার রস খেলে উপকার পাবেন। পালংশাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। পালংশাকে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেলস থাকায় মাসিকজনিত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। দাঁত ও হাড়ের ক্ষয়রোধে ভূমিকা রাখে।

ডায়াবেটিক রোগীর জন্য পালংশাক খুব উপকারী। প্রচুর ফলিক অ্যাসিড থাকায় তা গর্ভবতীর জন্যও উপকারী। এ ছাড়া হাড় মজবুত করে তুলতে, শরীরের কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেম ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে স্বাস্থ্য রক্ষাকারী উপাদান গ্লাইকোগ্লিসারলিপিড। পরিপাকতন্ত্রের আবরণী রক্ষা ও এর সংক্রমণ রোধ করে। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’সহ অনেক ভিটামিন ও খনিজ। তাই আমাদের দেহের পরিপূর্ণ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য পালংশাক খুবই প্রয়োজনীয়।

লেখক : বিশিষ্ট হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক। ০১৯১১৩৮৬৬১৭

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে