পাকিস্তানে যাওয়া নিয়ে যা জানালেন মামুনুল হকের ভগ্নিপতি

0
170

ঢাকা, ২৬ এপ্রিল – মামুনুল হকের সঙ্গে পাকিস্তান যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তার ভগ্নিপতি মুফতি মুহাম্মাদ নেয়ামতুল্লাহ।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন তিনি। এতে মামুনুল হকের সঙ্গে পারিবারিক আত্মীয়তা ছাড়া আর কোনো ধরনের সর্ম্পক নেই বলে দাবি করে মুফতি নেয়ামতুল্লাহ।

তিনি বলেন, আমি ১৯৮৩ সালে দাওরা হাদিস শেষ করার পর উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য পাকিস্তান গমন করি। দারুল উলূম করাচী মাদ্রাসায় ৩ বছর মেয়াদী ইফতা কোর্স সম্পন্ন করার পর করাচীতে আমার পীরের আদেশে তার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় শিক্ষক ও অধ্যক্ষ হিসাবে কর্মজীবন শুরু করি। পরবর্তীতে পীরের মৃত্যুর পর আমার মায়ের নির্দেশে আমি সে মাদ্রাসার দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে সপরিবারে বাংলাদেশে চলে আসি।

মুফতি নেয়ামতুল্লাহ বলেন, কর্মজীবনের শুরু থেকেই আমি কখনও কোনো ধরনের রাজনৈতিক কিংবা সাংগঠনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। একজন শিক্ষাবিদ হিসাবে আমার একমাত্র কর্মব্যস্ততা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান এবং উত্তম চরিত্র গঠনের মাধ্যমে তাদেরকে সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা। এর বাইরে কোনো ধরনের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে আমি কখনোই যুক্ত ছিলাম না। শাইখুল হাদিস আল্লামা আজীজুল হক (রহ.) আমার শ্বশুর হওয়া সত্বেও আমি তার রাজনৈতিক নীতির সঙ্গে কখনো যুক্ত ছিলাম না, এখনও যুক্ত নই।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মাওলানা তাজউদ্দিনের সঙ্গে কোনোধরণের সর্ম্পক নেই বলেও দাবি করেন মামুনুল হকের এ ভগ্নিপতি।

তিনি বলেন, ২১ আগস্ট ন্যাক্কারজনক গ্রেনেড হামলায় জনৈক তাজ নামক ব্যক্তির সঙ্গে যে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তার সঙ্গে কোনো সম্পর্কও আমার নেই।

মামুনুল হকের পাকিস্তান গমন নিয়ে মুফতি নেয়ামতুল্লাহ বলেন, ২০০৫ সালে মাওলানা মামুনুল হক যখন পাকিস্তানে যান, সে সময় আমি বাংলাদেশে আমার সদ্য প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিলাম। তার সঙ্গে পাকিস্তানে একত্রে থাকার কোনো সুযোগই আমার হয়নি। মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে আমার পারিবারিক আত্মীয়তা ছাড়া আর কোনো ধরনের সর্ম্পক নেই। ২০০৪ সালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, কিন্তু কোনো কিছুর সম্পৃক্ততা না থাকায় তারা আমাকে মুক্ত করে দেন।

সূত্র : যুগান্তর
এন এ/ ২৬ এপ্রিল

Source link