দখল দূষণে অস্তিত্ব সংকটে ইছামতি নদী

0
92

ঢাকা, ০৯ ফেব্রুয়ারি – সরকারের নির্দেশে দেশের বিভিন্ন স্থানে, খাল বিল ও নদী খেকোদের বিরুদ্ধে নদী কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিলেও দখলদার ও দূষণ চত্রেুর হাতে পড়ে ঢাকার নবাবগঞ্জের ইছামতি নদী হারিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, নদী কমিশন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায়, ইছামতি নদীর ধীরে ধীরে মৃত্যুর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এ.এস.এম আলী কবির বলেন, নদী দখলমুক্ত করতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের জনসাধারনের দাবি, ক্লিনিক, হাট বাজারের কতিপয় ব্যবসায়ী ও নদীর তীরবর্তী ইটভাটাগুলো নিজেদের ইচ্ছে মতো দূষণ ও দখল করে নদীর পরিবেশকে বিপন্ন করে তুলেছে। এর ফলে নদী বাঁচাতে বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা থাকলে ও কতিপয় প্রভাবশালীদের হাত থেকে ইছামতি নদী রক্ষায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিরব ভূমিকা স্থানীয় জনসাধারনের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

আরও পড়ুন : শকুন রক্ষায় নিষিদ্ধ হচ্ছে কিটোপ্রোফেন

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বান্দুরা বাজার, বাগমারা বাজার, শিকারীপাড়া বাজার, কোমরগঞ্জ বাজার, আগলা বাজার, গোবিন্দপুর বাজার ও নবাবগঞ্জ সদর এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি ক্লিনিক, হাট বাজারের ব্যবসায়ীগণ নদীতে বর্জ্য ফেলে নদীকে দূষিত করছে।

এছাড়া দাউদপুর, কলাকোপা পোদ্দার বাজার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ইছমতি নদীর তীর দখল করে গড়ে তুলেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিনোদন পার্ক।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী কমিশন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন কার্যক্রম না থাকায় আজ ইছামতি বিলুপ্তির পথে। বান্দুরা বাজারের ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, আমাদের কিছু করার নেই। প্রশাসন এখানে নদী রক্ষায় ভূমিকা রাখছে না। প্রভাবশালীরা জড়িত থাকায় প্রতিবাদ জানিয়েও তাদের টনক নাড়ানো যাচ্ছে না। এসব কাজে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। নদীর দূষণ রোধে দায়িত্বশীলরা এগিয়ে আসছেন না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

ইছামতি নদীর দখল ও দূষণের বিষয় বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. রেজওয়ান হোসেন ভূইয়া বলেন, একটি দেশের প্রাণ নদী হচ্ছে। দখল ও দূষণ রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় আমাদের সচেতন হতে হবে। নদী বাঁচলে কৃষক বাঁচবে, বাঁচবে দেশ ও জনগণ।

সূত্র : বিডি২৪লাইভ
এন এইচ, ০৯ ফেব্রুয়ারি

Source link