‘তারেকের ফাঁসির আদেশ না হওয়ায় রায়ে সন্তুষ্ট নয় জাতি’

78


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির আদেশ না হওয়ায় একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার রায়ে জাতি সন্তুষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

ঢাকায় ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ১৭তম বার্ষিকীতে দলটির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার বিচার কখনোই হতো না। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারের ক্ষেত্রে একথা যেমন সত্য, গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারের ক্ষেত্রেও সত্য। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসায় বিচার হয়েছে। একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুরজ্জামান বাবর, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিস চৌধুরী, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ৫২ জনের শাস্তি হয়েছে। এদের মধ্যে বাবর ও পিন্টুসহ ১৯ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’

‘কিন্তু গ্রেনেড হামলার মূল প্ল্যানার ও মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়নি। তাই এ রায়ে জাতি অখুশি না হলেও সন্তুষ্টও নয়। রাষ্ট্রপক্ষের উচিত উচ্চ আদালতে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করে তারেক রহমানের ফাঁসির রায় নিশ্চিত করা। এটা না হলে জাতি পাপমুক্ত হবে না‘- বলেন নাছির।

একই সভায় নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা যখন ঘটে তখন ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা জিয়া। যারা এই জঘন্য অপরাধ করেছিল তাদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি করার দায় ছিল তৎকালীন সরকারের। কিন্তু তারা সেটা না করে মূল ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে নানা পদক্ষেপ নেয়। অপরাধীদের নিরাপদে রাখার কৌশল নিয়েছিল সরকার। এর দায় অবশ্যই খালেদা জিয়াকে বহন করতে হবে।’

নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- সহ সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, চসিকের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মোহাম্মদ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য কামাল উদ্দিন আহমেদ, বখতেয়ার উদ্দিন খান, বেলাল আহমেদ প্রমুখ।

সারাবাংলা/আরডি/পিটিএম





Source link