ডক্টর শাচা ব্লমেন, ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ কর্তৃক ইপসা সিভিক প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন

0
191

স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংঘটন “ইপসা“ কর্তৃক বাস্তবায়িত গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেইজমেন্ট এন্ড রিজিলিয়েন্স ফান্ড-GCERF এর আর্থিক সহায়তায় ‘‘জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ” শীর্ষক প্রকল্পের উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় যুব ক্লাব (নারী) সদস্যদের ০২-০৩মার্চ‘২০২১ ইং ০২ দিন ব্যাপী জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন- ডক্টর শাচা ব্লমেন, ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ। পরিদর্শন শেষে ইপসা কক্সবাজার অফিসে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। ঐ সময় পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনের মাধ্যমে ইপসা সিভিক কনসোর্টিয়ামের সিভিক প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়। বর্তমান সময়ে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত উল্লেখিত কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন ও ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন- জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে যে কোন দেশে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং শান্তি বজায় রাখা সম্ভব। উল্লেখিত কার্যক্রম বাংলাদেশে সুন্দরভাবে চলমান এবং বিশ্বে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপিত। কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় আরো উপস্থিাত ছিলেন- মো: শাহজাহান, উপ-পরিচালক, ইপসা এবং খালেদা বেগম, টিম লিডার, ইপসা-সিভিক প্রকল্প এবং আঞ্চলিক প্রধান, কক্সবাজার; নাজমুল বরাত রনি, প্রকল্প সম্বয়কারী (ট্রেনিং ও ক্যাম্পেইন); বনরত্ন তঞ্চজ্ঞা, প্রকল্প সমন্বয়কারী (মনিটরিং ও মূল্যায়ন) সহ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং খুরুশকুল সুখের ঠিকানা মহিলা উন্নয়ন সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি রুবি রুদ্র ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২০ জন সক্রিয় সদস্য।

উগ্রবাদ ও সহিংসতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এটি প্রতিরোধে সকলের যৌথ উদ্যোগ ও অংশগ্রহন প্রয়োজন। বাংলাদেশের মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয়। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সমাজে অশান্তি, সহিংসতা আমাদের কারোই প্রত্যাশিত নয়। তবুও মাঝে মাঝে কিছু সুযোগসন্ধানী, স্বার্থান্বেষী মানুষ সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। আর বারে বারে শান্তিপ্রিয় মানুষেরা এই সব অপচেষ্টা কৃতিত্বের সাথে রুখে দিয়েছে। দল-মত, শ্রেণী-পেশার উর্ধে উঠে বাংলাদেশের মানুষ সহিংসতা প্রতিরোধ করেছে, সমাজে শান্তির বাতাবরণ বিনষ্ট হতে দেননি। বাংলাদেশের মানুষ ঐহিত্যগত ভাবে সামাজিক সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে যা বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের বড় ভিত্তি আর এটি বজায় রাখার জন্য যুবরা খুব বেশী অবদান রাখতে পারবে। এ দেশের মানুষ বরাবরই শান্তির সপক্ষে। এ উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা অতীব জরুরী এবং সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।