জিয়ার বীরত্বগাথা জনগণের কণ্ঠে থাকবে শতাব্দীকাল

0
84

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি – বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের প্রতিবাদ জনিয়ে দলটির নেতারা বলেছেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী এদেশের জনগণের কণ্ঠে জিয়াউর রহমানের বীরত্বের গান শোনা যাবে।

শনিবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তারা একথা বলেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশটির আয়োজন করে।

সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, তার খেতাব নাকি কেড়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জিয়াউর রহমানের বীরত্ব মহাকাব্যের মতো। জিয়াউর রহমানের বীরত্ব নিয়ে আগামী দিনে গান রচনা হবে, কবিতা রচনা হবে। শতাব্দীর পর শতাব্দী এদেশের জনগণের কণ্ঠে জিয়াউর রহমানের বীরত্বের গান, কবিতা ও গল্প আবৃত হবে। যেমন আমরা তিতুমীরকে নিয়ে গান রচনা করি, যেমন আমরা ক্ষুদিরামকে নিয়ে গান রচনা করি, যেমন আমরা ফকির মজনু শাহকে নিয়ে গান রচনা করি, ঠিক তেমনি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ও গান রচনা হবে।

আরও পড়ুন : যাদু মন্ত্র দিয়ে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসেনি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে রিজভী বলেন, আলজাজিরার রিপোর্ট ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিচ্ছেন? এটা তো কোটি কোটি মানুষ দেখে ফেলেছে। জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নিয়ে আপনি ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে পারবেন না ওবায়দুল কাদের সাহেব।

তিনি বলেন, যে লোক (জিয়াউর রহমান) রাজনীতিকে গ্রামে নিয়ে গেছেন, যে মানুষটি মিশে ছিলেন কাদামাটি ও পলিমাটির মধ্যে। নদীর উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে যার নাম মিশে আছে, মিশে আছে জনগণের মনে। সেই নাম কোনোদিনও মুছে ফেলা যাবে না।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন কবিয়াল আছে। আপনারা কি চেনেন? তার বাড়ি হচ্ছে নোয়াখালী। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। তার নাম হচ্ছে ওবায়দুল কাদের। তিনি কবিতার আকারে কথা বলেন, তিনি গতকাল বলেছেন আলজাজিরার পেছনে কারা কারা আছে আমরা সেটা খুঁজে পেয়েছি। আমি আগেই বলেছি, আওয়ামী লীগের ক্যারেক্টারই হচ্ছে সন্ত্রাসীদের মতো, মাফিয়াদের মত। ঠাকুরগাঁওয়ে কেন্দ্রীয় মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবা বেগম বলেছেন, আগামীকাল নির্বাচন যাদের ধানের শীষের সাথে প্রেম আছে তারা ঠাকুরগাঁও ছেড়ে দেন। লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিক দার্শনিক প্লেটো বলেছিলেন, ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাই অপরাধের অন্যতম কারণ। এই আওয়ামী লীগ এমন একটি সংগঠন; এদের প্রত্যেকেরই ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা। আপনারা সবাই দেখছেন না এখন জিপিএ ফাইভ এর ছড়াছড়ি, আর ১৯৭২ সালে ছিল নকলের ছড়াছড়ি। এইবার হলো অটোপাশের ছড়াছড়ি। এই কারণেই সমাজ ও রাষ্ট্রে অপরাধ বাড়ছে। আর আওয়ামী লীগে ভেতরে সবচেয়ে বেশি অপরাধ।

ঢাকা মহানগর বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ।

সূত্র : ঢাকাটাইমস
এন এইচ, ১৩ ফেব্রুয়ারি

Source link