জাকির নায়েকের অনুসারী, এই জঙ্গিরা হিন্দু মন্দিরের প্রসাদে বিষ মিশিয়ে ৪ শতাধিক হিন্দুকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছিল?

প্রতিবেশী ডেস্ক: মন্দিরে পূজার প্রসাদে বিষ মিশিয়ে চার শতাধিক হিন্দুকে তা খাইয়ে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। কিন্তু তার আগেই খবর পেয়ে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়ার দাবি করেছে ভারতের মহারাষ্ট্র অ্যান্টি টেরর স্কোয়ার্ড (এটিএস)।
এ ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে এটিএস। জানা গেছে, মহারাষ্ট্রের থানে জেলার বিখ্যাত মুমব্রেশ্বর মহাদেব মন্দিরে মহাপ্রসাদে বিষ মিশিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন জঙ্গিরা। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে এটিএস।
কয়েকদিন আগে তাদের হাতে ১০ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি ধরা পড়েছে। তারা সবাই আইএস জঙ্গি বলে জানা গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়েই এই পরিকল্পনার কথা জানতে পারে এটিএস।
জানা গেছে, এ রকমের চেষ্টা এর আগেও করেছিল জঙ্গিরা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে চারশ বছরের পুরনো এক মন্দিরে শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠের এক অনুষ্ঠানে আগত মানুষদের প্রসাদে বিষ মেশানোর চেষ্টা করে তারা। কিন্তু সফল হয়নি। তাই আবারো এই পরিকল্পনা করা হয়। জঙ্গিদের বরাতে এটিএস জানায়, নতুন পরিকল্পনায় প্রায় ৪০ হাজার দর্শনার্থীর খাবারে বিষ মেশানোর পরিকল্পনা করেছে তারা।
খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। অনুষ্ঠানের দিন মন্দিরে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। সাদা পোশাকে অনেক এটিএস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। প্রসাদের মধ্যে বিষ মেশাতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে তালহা পট্রিক নামের এক ব্যক্তি। এ ছাড়াও মন্দিরের ভেতরের কয়েকজনকেও আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নাবালক রয়েছে বলেও জানা গেছে।
এটিএস জানিয়েছে, ভারতের ধর্মীয় নেতা জাকির নায়েকের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল এই জঙ্গিদের। অভিযুক্তের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে জাকির নায়েকের একাধিক ভিডিও মিলেছে। মহারাষ্ট্র এটিএস জানিয়েছে, মন্দিরের প্রসাদে বিষ মিশিয়ে প্রায় চারশ হিন্দুকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।
বিদেশেও অনেকের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল। এমনকী অনেকদিন এই মন্দিরে এসে তারা তদারকি করে গেছে বলেও জানা গেছে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে এটিএস। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো তথ্য বের করে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে তারা।

মতামত দিন

Post Author: newsdesk

A thousand enemies is not enough; a single enemy is. There is nothing as a ‘harmless’ enemy.