চান্দগাঁও এলাকা থেকে ০১টি হাতির দাঁত উদ্ধারসহ বন্যপ্রাণী হাতির দাঁত ক্রয়-বিক্রয় চক্রের সক্রিয় ০২ সদস্য’কে আটক করেছে র‌্যাব-৭

42

“বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র‌্যাব সৃষ্টিকাল থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম অস্ত্রধারী সস্ত্রাসী, ডাকাত, ধর্ষক, দুর্ধষ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণকারী ও প্রতারকদের গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় সাধারণ জনগনের মনে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানাধীন টেকবাজার রেলক্রসিং এলাকার ৪র্থ তলা একটি বিল্ডিংয়ের ২৪নং কক্ষের ভিতর কতিপয় ব্যক্তি অবৈধভাবে বন্যপ্রানি হাতির দাঁত নিজেদের হেফাজতে রেখে ক্রয়-বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ২১ জুন ২০২২ তারিখ ২১৫০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), পিতা-মৃত-তফছির আহম্মদ, সাং- চর হাসান হোসেন, থানা-রামগতি, জেলা-ল²ীপুর, এবং ২। মোঃ শহিদুল আলম (৪০), পিতা-মোঃ মোস্তফা, সাং-দক্ষিণ পদুয়া, থানা-রাঙ্গুনিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম’কে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ১নং আসামীর স্বীকারুক্তি এবং তার হেফাজতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভিতর হতে নিজ হাতে বের করে দেয়া মতে ৩.৪ কেজি ওজনের একটি হাতির দাঁত উদ্ধারসহ আসামীদের গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত হাতির দাঁতের আনুমানিক মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা।

এছাড়ার আটককৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, তারা বন্য প্রাণী হাতির দাঁত কেনাবেচা চক্রের সক্রিয় সদস্য। ধৃত আসামীরা পরস্পর যোগসাজশে একে অপরের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন যাবত বন্যপ্রাণী হাতির দাঁত উর্পযুক্ত অনুমতি ব্যতিত অবৈধভাবে নিজ দখলে রেখে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে বলে অকপটে স্বীকার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী উদ্ধারকৃত আলামত সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।