চরফ্যাশনে বেতুয়া লঞ্চঘাটে অদৃশ্য কারণে জাহাজ চলাচল বন্ধ!ভোগান্তিতে যাত্রীরা

0
64

ভোলা জেলা প্রতিনিধি:

ভোলা জেলার চরফ্যাশন বেতুয়া লঞ্চ ঘাটে এক সপ্তাহ যাবৎ তিন কোম্পানীর লঞ্চ আসা যাওয়া বন্ধ। অদৃশ্য কারনে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বেতুয়াঘাটে জাহাজ আসা যাওয়ায় গোপন সিদ্ধান্তে যাত্রী দূর্ভোগ চরমে। কর্তৃপক্ষ যদিও মেঘনায় আবহাওয়ার সিগনাল অজুহাতে সাপ্তাহ পার করলেও জানা গেছে এর নেপথ্যে অন্য ঘটনা।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন স্টাফ জানান,বেতুয়াঘাটে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে কিছু লোকযাত্রীদের ১০টাকা ঘাট টিকেট ও মালামালের অতিরিক্ত দাম নিয়ে বাক বিতন্বার কারনে সাধারন মানুষ তাদের কাছে জিম্মি।
সম্প্রতি বেতুয়াঘাটে প্রতি জাহাজে কেবিন বরাদ্দ নিয়ে আসলামপুর ইউপি আ’লীগের সভাপতি নুরে আলম মাস্টারের ভাগিনা ফয়সাল একটি জাহাজের আওলাদে রশি কেটে দেয়।সুকিচার না পেয়ে আমরা বেতুয়া ঘাটে লঞ্চ আসা-যাওয়া বন্ধ করি।

গত রবিবার থেকে লঞ্চ ঘাটে ফিরছেনা কোন জাহাজ।আজ শনিবার পর্যন্ত ঢাকা থেকে আসা তাসরিফ ও ফারহানের অসংখ্য যাত্রীকে ভোররাতে বোরহানুদ্দিনের হাকিমউদ্দিন ও দৌলতখানঘাটে জোরপুর্বক নামিয়ে দেয়া হয়। ঢাকা থেকে অনেক মালামাল নিয়ে বিপাকে পরেছেন। এমভি তাসরিফ, এমভিফারহান ও এসভি কর্ণফুলীর ছয়টি লঞ্চ ঢাকা -টু চরফ্যাশন (বেতুয়া) চলাচল করছে ১০ বছর যাবৎ।
যাত্রীদের অনুযোগ বিবিন্ন সময়ে কারণে অকারনে ঘাট ইহারাদার ও সুবিধাভোগী ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নামধারী মস্তানদের অনৈতিক কাজের খেসারত লঞ্চের যাত্রীরা কেন দিবে। বেতুয়ায় জাহাজ আসা যাওয়া বন্ধ হওয়ায় যাত্রী সাধারনদের মধ্যে প্রচণ্ড ক্ষোভ বিরাজ করছে।ভূক্তভোগী যাত্রীরা সেবা নিশ্চিত করতে উভয় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ফয়সালা করার দাবি জানান।
নৌযান পরিচালনায় নিয়োজিত কর্তৃপক্ষ বলেন, বিরুপ আবহাওয়ার কারণে মেঘনা পাড়ি দিয়ে জাহাজ ঢাক- বেতুয়া যাওয়া আসা বিপজ্জনক। এি কারনে বেতুয়া আসছেনা জাহাজ। ঢাকা থেকে এমভি তাসরিফে আজ ভোররাতে যাত্রীদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে নামিয়ে দেয়া হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আমি নিজেই।ভোরে মেঘনা নদী দেখা গেল স্বাভাবিক গতিতে,নেই কোন উত্তাল স্রোত।অথচ মধ্যরাতে চাদপুর পাড়ি দিতে হয়েছে উত্তাল স্রোতের মধ্যে।

এ ব্যাপারে ভোলা জেলা নাগরিক ফোরামের( দক্ষিণ) সভাপতি এম আবু সিদ্দিক বলেন, আমরা ইতিমধ্যে জানতে পারলাম বেতুয়া ঘাটে জাহাজ আসছেনা যদি জাহাজ ও বেতুয়াঘাট কর্তৃপক্ষের দু’একদিনের মধ্যে ফয়সালার মাধ্যমে সমাধান না করলে যাত্রীদের নিয়ে কঠিন আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।