চট্টগ্রামে হিন্দুদের শশ্মানে সন্ত্রাসীদের তান্ডব, হিন্দু সম্প্রদায়দের বিক্ষোভ

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম অফিসঃ বাংলাদেশে পূজার পর একের পর এক হিন্দু নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এখন বানিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামের পটিয়ায় একটি সন্ত্রাসীমহল সনাতনী হিন্দুদের শশ্মানে তান্ডব লীলা চালিয়েছেন বলে জানাজানি হলে নেট দুনিয়ায় বিক্ষোভের ঝড় উটেন।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় সন্ত্রাসীরা এবার হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি শ্মশানে তান্ডব চালিয়েছে। উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের দক্ষিণ সমুরা গ্রামের দানবীর ও শিল্পপতি আশুতোষ দে’র মায়ের শ্মশানে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গতকাল শুক্রবার সকালে এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

!-- Composite Start -->
Loading...

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের বাসিন্দা ও দানবীর আশুতোষ দে ব্যবসায়িক কাজে তিনি ঢাকায় থাকেন। গ্রামের বাড়ি ধলঘাট ইউনিয়নের দক্ষিণ সমুরা গ্রামে পুকর পাড়ে রয়েছে তাঁর মায়ের শ্মশানে। শ্মশানের পাশে নির্মাণ করা হচ্ছে জগৎদ্বাত্রী
মায়ের মন্দির। এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে আশুতোষ দে একজন অন্যতম। ৯ বছর আগে শিল্পপতি আশুতোষ দে’র মা মারা গেলে তাদের পুকুর পাড়ের শ্মশানে দাহ করা হয়। বর্তমানে শ্মশানে একটি টিনসেড ও বেড়া দিয়ে মন্দির
রয়েছে। দুর্বৃত্তরা গভীর রাতে শ্মশানে প্রবেশ করে ভাংচুর ও তান্ডব চালিয়েছে।

পটিয়া উপজেলা আ’লীগ সদস্য মাস্টার প্রবোধ রায় চন্দন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মিত্র, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট দিলীপ ঘোষ দিপু, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. সোহেল, শিপন দত্ত, বাবলু দে, সাবেক ছাত্রনেতা সুজন সর্দার, সুমন সর্দার, ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিল্টন দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা জুয়েল দেসহ শতাধিক লোক শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পটিয়া উপজেলা আ’লীগ সদস্য মাস্টার প্রবোধ রায় চন্দন বলেন, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রথম নারী শহীদ প্রীতিলতা ওয়েদ্দেদারের জন্মভুমি উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের দক্ষিণ সমুরা গ্রামে। এই এলাকায় দুর্বৃত্তরা শ্মশানে প্রবেশ করে গভীর রাতে যে তান্ডব চালিয়েছে তা খুবই
ন্যাচট্টগ্রামের পটিয়ায় সন্ত্রাসীরা এবার
হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি শ্মশানে তান্ডব
চালিয়েছে। উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের
দক্ষিণ সমুরা গ্রামের দানবীর ও শিল্পপতি
আশুতোষ দে’র মায়ের শ্মশানে এই ঘটনা
ঘটেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর
গতকাল শুক্রবার সকালে এলাকার শতাধিক
নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ
করেন এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায়
আনার দাবি জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার
ধলঘাট ইউনিয়নের বাসিন্দা ও দানবীর
আশুতোষ দে ব্যবসায়িক কাজে তিনি
ঢাকায় থাকেন। গ্রামের বাড়ি ধলঘাট
ইউনিয়নের দক্ষিণ সমুরা গ্রামে পুকর পাড়ে
রয়েছে তাঁর মায়ের শ্মশানে। শ্মশানের
পাশে নির্মাণ করা হচ্ছে জগৎদ্বাত্রী
মায়ের মন্দির। এই মন্দিরের
প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে আশুতোষ দে একজন
অন্যতম। ৯ বছর আগে শিল্পপতি আশুতোষ
দে’র মা মারা গেলে তাদের পুকুর পাড়ের
শ্মশানে দাহ করা হয়। বর্তমানে শ্মশানে
একটি টিনসেড ও বেড়া দিয়ে মন্দির
রয়েছে। দুর্বৃত্তরা গভীর রাতে শ্মশানে
প্রবেশ করে ভাংচুর ও তান্ডব চালিয়েছে।
পটিয়া উপজেলা আ’লীগ সদস্য মাস্টার
প্রবোধ রায় চন্দন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের
সাধারণ সম্পাদক স্বপন মিত্র, হিন্দু বৌদ্ধ
খৃষ্টার্ন ঐক্য পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট
দিলীপ ঘোষ দিপু, দক্ষিণ জেলা
ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. সোহেল,
শিপন দত্ত, বাবলু দে, সাবেক ছাত্রনেতা
সুজন সর্দার, সুমন সর্দার, ইউনিয়ন পূজা
উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিল্টন
দে, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা
জুয়েল দেসহ শতাধিক লোক শুক্রবার সকালে
ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পটিয়া উপজেলা আ’লীগ সদস্য মাস্টার
প্রবোধ রায় চন্দন বলেন, বৃটিশ বিরোধী
আন্দোলনের প্রথম নারী শহীদ প্রীতিলতা
ওয়েদ্দেদারের জন্মভুমি উপজেলার ধলঘাট
ইউনিয়নের দক্ষিণ সমুরা গ্রামে। এই
এলাকায় দুর্বৃত্তরা শ্মশানে প্রবেশ করে
গভীর রাতে যে তান্ডব চালিয়েছে তা খুবই
ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়। দানবীর ও
শিল্পপতি আশুতোষ দে এলাকার গরীব ও
অসহায় মানুষের কাজে ভুমিকা রাখেন।
তিনি মন্দিরের উন্নয়ন, রাস্তা, পুকুরের ঘাট
বসানো ছাড়াও এলাকার গরীব লোকের
মেয়ের বিয়েতে তিনি সহযেগিতা করে
থাকেন। এই ধরনের একব্যক্তির মায়ের
শ্মশানে যারা তান্ডব চালিয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা দরকার। ন্যাকারজনক ও নিন্দনীয়। দানবীর ও শিল্পপতি আশুতোষ দে এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষের কাজে ভুমিকা রাখেন। তিনি মন্দিরের উন্নয়ন, রাস্তা, পুকুরের ঘাট বসানো ছাড়াও এলাকার গরীব লোকের মেয়ের বিয়েতে তিনি সহযেগিতা করে
থাকেন। এই ধরনের একব্যক্তির মায়ের শ্মশানে যারা তান্ডব চালিয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা দরকার বলে জানান।

মতামত দিন

Post Author: newsdesk

A thousand enemies is not enough; a single enemy is. There is nothing as a ‘harmless’ enemy.