খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি

91


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ঢাকা জেলা বিএনপি।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে ডেপুটি কালেক্টর (নেজারত) মো. আব্দুল্লাহ আল মাহফুজের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার আবু আশফাক, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীসহ জেলা বিএনপির নেতারা।

স্মারকলিপি দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা আগেই বলেছি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করানো দরকার। আজকে অসুস্থ অবস্থায় এভারকেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। তার (খালেদা জিয়া) উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন। সরকার বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বিলম্বিত করছে।

তিনি বলেন, তিনবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মৃত্যুর দিকে ঢেলে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হক, নাইতো এই দেশের সংগ্রামী মানুষ বসে থাকবে না।

উল্লেখ্য, গুরুতর অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর এ বছর এপ্রিল থেকে মে পর্যন্ত টানা ৫৪ দিন হাসপাতালে ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বছর ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়’ তাকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। তখন থেকে তিনি গুলশানের ভাড়া বাসা ফিরোজা’য় রয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে বেশ কয়েকবার আবেদন করেছে তার পরিবার। কিন্তু সরকার সেই আবেদন আমলে নেয়নি। যদিও এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য হলো, সাময়িক মুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাকে দেশে রেখেই চিকিৎসা দিতে হবে। বিদেশে যেতে হলে কারাগারে ফিরে আবেদন করতে হবে।

সারাবাংলা/এআই/এসএসএ





Source link