খালেদা জিয়ার ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না: বিএনপি

79


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিএনপির দফতেরর দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, খালেদা জিয়া কোনো অপরাধ করেননি। তার ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে, বুধবার (৩০ জুলাই) সংসদে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘খালেদা জিয়া দোষ স্বীকার করে ক্ষমা না চাইলে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ নেই।’

আইনমন্ত্রীর এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে বিএনপির পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘এগুলো সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ এবং রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রিত ও কলুষিত করার ব্যর্থ চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়। যিনি কোনো অপরাধই করেননি, তার ক্ষমা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে। যা ভ্রষ্টাচার ছাড়া কিছুই নয়।’

তিনি বলেন, ‘করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরুতে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার শর্তসাপেক্ষে রায় স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিলেও কার্যত তিনি গৃহবন্দী।’

শর্ত সংশোধন কিংবা শিথিল করা যাবে না— এই বক্তব্য সঠিক নয় মন্তব্য করে এমরান সালেহ বলেন, ‘সরকার যেকোনো শর্ত পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে। তা একেবারেই সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার করোনা–পরবর্তী জটিলতা নিরসন হলেও বর্তমানে তিনি লিভার, কিডনি ও হার্টের বিভিন্ন জটিলতায় অসুস্থ অবস্থায় নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকেরা তাকে আরও উন্নত সেন্টারে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন, যা বাংলাদেশে সম্ভব নয়।’

সৈয়দ এমরান সালেহ আরও বলেন, ‘সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। তাই অন্যায়ভাবে আটকে রেখে তাকে রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে। এবং তার উন্নত চিকিৎসার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে চায়।’ খালেদা জিয়ার কিছু হলে তার দায় সরকারকে বহন করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

সারাবাংলা/এজেড/পিটিএম





Source link