খালেদার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে সমাবেশে বিএনপি

86


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: গুরুতর অসুস্থ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের বাইরে চিকিৎসার দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ করছে বিএনপি। পূর্ব ঘোষিত এ সমাবেশ সোমবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় শুরু হয়েছে।

সমাবেশ শুরু হওয়ার ঘণ্টা খানেক আগে থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে কয়েক হাজার নেতাকর্মী জড়ো হন। সকাল ১০ টার মধ্যে দলের শীর্ষ নেতারাও হাজির হন সমাবেশস্থলে। সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ সমাবেশ স্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

এই মুহূর্তে সমাবেশস্থলে উপস্থিত আছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আমিনুল হক, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, শিরিন সুলতানা প্রমুখ।

বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে সম্ভব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে প্রেসক্লাব এলাকায়। যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

গুরুতর অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর আগে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর এবছর এপ্রিল থেকে মে পর্যন্ত টানা ৫৪ দিন হাসপাতালে ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ড নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান। দেশে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বছর ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়’ তাকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। তখন থেকে তিনি গুলশানের ভাড়া বাসা ফিরোজা’য় রয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে বেশ কয়েকবার আবেদন করেছে তার পরিবার। কিন্তু সরকার সেই আবেদন আমলে নেয়নি। এ ব্যাপারে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য হলো সাময়িক মুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাকে দেশে রেখেই চিকিৎসা দিতে হবে। বিদেশে যেতে হলে কারাগারে ফিরে আবেদন করতে হবে।

সারাবাংলা/এজেড/একেএম





Source link