কোয়াড সম্মেলন ২৪ সেপ্টেম্বর, আতিথেয়তা দিচ্ছেন বাাইডেন

116


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল বাস্তবায়নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত জোট ‘কোয়াড’কে সক্রিয় করার চেষ্টা চলছে দীর্ঘ দিন ধরে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হতে যাচ্ছে কোয়াডের শীর্ষ সম্মেলন। তিন দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই সামিটের আয়োজক হিসেবে থাকছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটন ডিসিতে হতে যাচ্ছে কোয়াড শীর্ষ সম্মেলন। জো বাইডেনের আতিথেয়তায় এই সম্মেলনে অতিথি হিসেবে থাকছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিস।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউজ থেকে কোয়াডের এই সামিট আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই কার্যলয় বলছে, কোয়াডের দেশগুলোর নেতাদের নিয়ে এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের প্রতি বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসনের অগ্রাধিকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বহুপাক্ষিক বিভিন্ন সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও মার্কিন সরকারের নীতির প্রতিফলন রয়েছে এই আয়োজনে।

আরও পড়ুন-

কোয়াড সম্মেলন ২৪ সেপ্টেম্বর, আতিথেয়তা দিচ্ছেন বাাইডেন

হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, কোয়াডভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা, কোভিড-১৯ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সাইবার খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে কোয়াড সামিটে। আর অবশ্যই স্বাধীন ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফককে পৃষ্ঠপোষকতা করাও এই সামিটের অন্যতম উদ্দেশ্য।

এর আগে, এ বছরের মার্চে কোয়াড নেতাদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে সে আয়োজনটি ছিল ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে গঠিত কৌশলগত জোট ‘কোয়াড’ সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক বিশ্বে অন্যতম আলোচিত একটি ইস্যু। ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা কোয়াডকে এরই মধ্যে ‘শত্রুপক্ষ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে চীন। যে কারণে কোয়াডের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে যুক্ত করার আগ্রহ দেখানো হলেও বাংলাদেশকে চীন বলেছিল, এরকম কোনো জোটে অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। চীনা রাষ্ট্রদূতের এমন বক্তব্যে কূটনৈতিক অঙ্গনে সমোলোচনার ঝড় ওঠে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে চীনের এমন আগবাড়িয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্যকে শিষ্টাচার বহির্ভূত বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন নিজেও বলেছেন, বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক কার সঙ্গে কেমন হবে, তা বাংলাদেশই নির্ধারণ করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এ বিষয়ে জানায়, বাংলাদেশ নিজেদের যেকোনো সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারবে।

সারাবাংলা/টিআর





Source link