কাশ্মারে উড়বে পাকিস্থান নই,ভারতের পতাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ কেন্দ্র সরকারের হাত ধরে কাশ্মীর ভারতের হয়েছে৷ সোমবার সকালেই কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে ৩৭০ ধারা৷ এদিনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কাশ্মীরের লাদাখ ডিভিশনে বহু মানুষ বাস করেন। তাঁরা খুব দুর্গম জায়গায় বসবাস করেন।

তাই তাঁদের অনেক দিনের দাবি, যাতে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তাই লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হবে, সেখানে কোনও বিধানসভা থাকবে না।

!-- Composite Start -->
Loading...

এদিন সংসদে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, উন্নয়নের জন্যই কাশ্মীরের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার৷ এবার আক্ষরিক অর্থেই জম্মু কাশ্মীর ভারতের অংশ বলে উল্লেখিত থাকবে৷ ৩৭০ ধারা কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহার করার ফলে বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে চলেছে৷

১৷ ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ফলে জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখে সাধারণ আইন প্রতিষ্ঠিত হবে, যা দেশের বাকি রাজ্যগুলিতে প্রতিষ্ঠিত৷

২৷ জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখে এবার থেকে জমি বা বাড়ির মত সম্পত্তি কিনতে পারবেন দেশের অন্যান্য প্রান্তের যে কোনও ব্যক্তি৷

৩৷ কাশ্মীরে এবার সরকারি চাকরি পেতে পারবেন অন্য রাজ্য থেকে আসা মানুষও৷

৪৷ জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখের মহিলারা অন্য রাজ্যের বাসিন্দাকে বিয়ে করলে, তাঁর অধিকার হারাবেন না৷

৫৷ জম্মু কাশ্মীরের জন্য কোনও আলাদা পতাকা থাকবে না৷ এবার থেকে ভারতের জাতীয় পতাকার তলায় চলে এল জম্মু কাশ্মীর৷

৬৷ ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের ফলে এবার থেকে জম্মু, কাশ্মীর, লাদাখের প্রতিরক্ষা, বিদেশনীতি, অর্থ ও যোগাযোগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে৷

৭৷ কেন্দ্রের হাতে এবার কাশ্মীরে আর্থিক জরুরি অবস্থা জারির ক্ষমতা এল৷

উল্লেখ্য, রবিবার রাত থেকেই চূড়ান্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল কাশ্মীর ঘিরে৷ রবিবার মধ্যরাতে হঠাত করেই গৃহবন্দি করা হল দুবারের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আবদুল্লাকে। শুধু তাই নয়, গৃহবন্দি হলেন প্রাক্তন বি‌ধায়ক সাজ্জাদ লোনও। গ্রেফতার করা হয় সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামি এবং কংগ্রেস নেতা উসমান মজিদকে। হঠাত করে কেন এমন সিদ্ধান্ত সরকারের তা নিয়ে আরও জল্পনা-আতঙ্ক তৈরি হয়। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

এরপরেই উপত্যকা জুড়ে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। অনির্দিষ্ট কালের জন্য জারি করা হয় কার্ফু। আগামী নির্দেশ দেওয়া না পর্যন্ত কার্ফু জারি থাকবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়। কোনও জায়গায় জমায়েত দেখলেই প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মতামত দিন

Post Author: newsdesk

A thousand enemies is not enough; a single enemy is. There is nothing as a ‘harmless’ enemy.